সুমন তেওয়ারি, আসানসোল: রেলে চাকরির নামে প্রতারণা চক্রের জাল দেখে স্তম্ভিত তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে রেলে চাকরি দেওয়ার নামে মহারাষ্ট্রের ছ’জন বাসিন্দার কাছ থেকে ৬০লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতারণার তদন্ত শুরু করে আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিস। তদন্তে নেমে পুলিসের অনুমান, প্রতারিতের সংখ্যা একশো পেরিয়ে যেতে পারে। রেলের পরীক্ষার মতোই লিখিত পরীক্ষা ও মেডিক্যাল টেস্ট নিয়ে চাকরির নিয়োগপত্র দিত প্রতারকরা। পুলিস জানতে পেরেছে, রেলের চাকরির নকল নিয়োগ হলেও তাঁদের মেডিক্যাল পরীক্ষা হয়েছিল রেলের হাসপাতালেই। বিভিন্ন রাজ্যের রেল হাসপাতালে এই মেডিক্যাল পরীক্ষা হয়েছে। তা হলে কী সর্ষের মধ্যেই ভূত রয়েছে? বিষয়টি বিস্তারিত রেলকে জানাতে চলেছে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেট। এখনও পর্যন্ত এই চক্রের দু’জন গ্রেপ্তার হয়েছে। পুলিস জেনেছে, প্রতারণার টাকা বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ করেছে প্রতারকরা।
Advertisement
ডিসি ধ্রুব দাস বলেন, প্রতারিতদের আস্থা অর্জনের জন্য রেলের বিভিন্ন হাসপাতালে মেডিক্যাল টেস্ট করানো হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। আমরা রেলের সঙ্গে যোগাযোগ করব।
গত নভেম্বর মাসে মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা লক্ষ্মণ ঘোষাল ডাকযোগে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটে লিখিত অভিযোগ পাঠান। তিনি অভিযোগ করেন, আসানসোলে রেলে চাকরি দেওয়ার নাম করে তাঁর ছ’জন আত্মীয়ের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে প্রতারকরা। মোট ৬০ লক্ষ টাকা নিয়েছে প্রতারকরা। অভিযোগের গুরুত্ব বুঝে মামলা রুজু হয় আসানসোল দক্ষিণ থানায়। রবিবার এই চক্রের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হরিন্দর সিংকে গ্রেপ্তার করে আদালতে তোলে পুলিস। বিহারের বাঁকার ওই বাসিন্দাকে ১২দিন হেফাজতে পায় পুলিস। সেইদিনই তাকে নিয়ে আসানসোল উত্তর থানার সৃষ্টিনগরে একটি আবাসনে হানা দেয়। তখন দেখা যায়, ফ্ল্যাট থেকে বিপুল সামগ্রী নিয়ে চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করছে এক টোটোচালক। ওই টোটোচালক অবধেশ কুমারের বাড়ি আসানসোল দক্ষিণ থানার দুর্গামন্দির এলাকায়। টোটো থেকে বস্তাবন্দি সামগ্রী দেখে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় পুলিসের। সেখানে গোছা গোছা রেলের হুবহু প্রশ্নপত্র ও ওএমআর শিট ছিল। রেলের পরীক্ষার মতোই অ্যাডমিট কার্ড, নিয়োগপত্র, মেডিক্যাল ফিট সার্টিফিকেট ছিল। নথিগুলিতে রেলকর্তাদের নামে সই ও স্ট্যাম্প রয়েছে। রেলের কর্মরত কারও সাহায্য ছাড়া কীভাবে তা সম্ভব সেই প্রশ্ন উঠছে।
পুলিস ধৃত ও অভিযোগকারীদের জেরা করে জানতে পেরেছে, একাধিক রাজ্যের রেলের হাসপাতালে চাকরিপ্রার্থীদের মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বিভিন্ন জায়গায় নকল পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরি হতো। সেখানে তাদের পরীক্ষা নেওয়া হতো। চক্রের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হরিন্দর সিং আসানসোলের বিলাসবহুল আবাসনে দু’টি ফ্ল্যাট নিয়ে এই চক্র চালাত। সেখানে অভিযান চালিয়ে নগদ ১০লক্ষ টাকা ও ১০ লক্ষ টাকার গয়না উদ্ধার হয়েছে। আরও বহু প্রতারিতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। পুলিস জানতে পেরেছে, আসানসোলে বসে বহু রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতানো হয়েছে।
গত নভেম্বর মাসে মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা লক্ষ্মণ ঘোষাল ডাকযোগে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটে লিখিত অভিযোগ পাঠান। তিনি অভিযোগ করেন, আসানসোলে রেলে চাকরি দেওয়ার নাম করে তাঁর ছ’জন আত্মীয়ের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে প্রতারকরা। মোট ৬০ লক্ষ টাকা নিয়েছে প্রতারকরা। অভিযোগের গুরুত্ব বুঝে মামলা রুজু হয় আসানসোল দক্ষিণ থানায়। রবিবার এই চক্রের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হরিন্দর সিংকে গ্রেপ্তার করে আদালতে তোলে পুলিস। বিহারের বাঁকার ওই বাসিন্দাকে ১২দিন হেফাজতে পায় পুলিস। সেইদিনই তাকে নিয়ে আসানসোল উত্তর থানার সৃষ্টিনগরে একটি আবাসনে হানা দেয়। তখন দেখা যায়, ফ্ল্যাট থেকে বিপুল সামগ্রী নিয়ে চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করছে এক টোটোচালক। ওই টোটোচালক অবধেশ কুমারের বাড়ি আসানসোল দক্ষিণ থানার দুর্গামন্দির এলাকায়। টোটো থেকে বস্তাবন্দি সামগ্রী দেখে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় পুলিসের। সেখানে গোছা গোছা রেলের হুবহু প্রশ্নপত্র ও ওএমআর শিট ছিল। রেলের পরীক্ষার মতোই অ্যাডমিট কার্ড, নিয়োগপত্র, মেডিক্যাল ফিট সার্টিফিকেট ছিল। নথিগুলিতে রেলকর্তাদের নামে সই ও স্ট্যাম্প রয়েছে। রেলের কর্মরত কারও সাহায্য ছাড়া কীভাবে তা সম্ভব সেই প্রশ্ন উঠছে।
পুলিস ধৃত ও অভিযোগকারীদের জেরা করে জানতে পেরেছে, একাধিক রাজ্যের রেলের হাসপাতালে চাকরিপ্রার্থীদের মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বিভিন্ন জায়গায় নকল পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরি হতো। সেখানে তাদের পরীক্ষা নেওয়া হতো। চক্রের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হরিন্দর সিং আসানসোলের বিলাসবহুল আবাসনে দু’টি ফ্ল্যাট নিয়ে এই চক্র চালাত। সেখানে অভিযান চালিয়ে নগদ ১০লক্ষ টাকা ও ১০ লক্ষ টাকার গয়না উদ্ধার হয়েছে। আরও বহু প্রতারিতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। পুলিস জানতে পেরেছে, আসানসোলে বসে বহু রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতানো হয়েছে।



