Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ট্যাব দেওয়ার প্রক্রিয়ায় ঢিলেমি, বামনগোলা ব্লকের হাইস্কুলকে শোকজ মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের

বামনগোলা ব্লকের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে রাজ্য সরকারের ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পে একাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের ট্যাব দেওয়ার কাজ চালু করার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতার অভিযোগ উঠেছে।

ট্যাব দেওয়ার প্রক্রিয়ায় ঢিলেমি, বামনগোলা ব্লকের হাইস্কুলকে শোকজ মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের
  • ২৪ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মালদহ ও হবিবপুর: বামনগোলা ব্লকের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে রাজ্য সরকারের ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পে একাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের ট্যাব দেওয়ার কাজ চালু করার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতার অভিযোগ উঠেছে। ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ওই স্কুলের একাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের নির্ধারিত সময়ে ট্যাব পাওয়ার সম্ভাবনা। বিষয়টি সামনে আসতেই কড়া পদক্ষেপ করেছে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তর। ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষককে শনিবারই শোকজের চিঠি পাঠানো হয়েছে। এরপরেও কাজ না হলে প্রয়োজনে স্থানীয় থানায় এফআইআর করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হলে রাজ্য সরকারের প্রকল্প অনুযায়ী পড়ুয়াদের ট্যাব কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়ে থাকে। পড়ুয়াদের লেখাপড়ায় উৎসাহ দিতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রকল্পটি চালু করেন। ইতিমধ্যে জেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসা এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য নির্দিষ্ট পোর্টালে আপলোড করার কাজ অনেকটাই শেষ করে ফেলেছে। কিন্তু বামনগোলার জগদলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ওই কাজ শুরুই হয়নি বলে সম্প্রতি জানা যায়। এরপরই নড়েচড়ে বসেন শিক্ষাদপ্তরের আধিকারিকরা।
জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বাণীব্রত দাস বলেন, ওই ব্লকের সাব ইন্সপেক্টর অব স্কুলস আমাকে বিষয়টি জানান। খোঁজ নিয়ে দেখা যায় অভিযোগ সত্যি। রাজ্য সরকারের এই প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর বাস্তবায়নের কাজে গড়িমসি বরদাস্ত করা হবে না। ইতিমধ্যে ওই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর চিঠি পাঠানো হয়েছে। এরপরেও কাজ না হলে প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ করা হবে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক অমিত হালদার জানান, বিদ্যালয়ে একাদশ শ্রেণিতে ৬৩ জন ছাত্রছাত্রী। ট্যাব পেতে ইতিমধ্যে প্রত্যেকে নথি জমা করেছে। বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কিছু সমস্যার কারণে করণিক অনলাইনে আপলোডের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেননি। বিষয়টি আমার জানা ছিল না। সেই কারণে একটু দেরি হল। ফর্ম জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট তারিখের উল্লেখ নেই।  গত শুক্রবার ডিআইকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানিয়েছি। শনিবার বিকেলের মধ্যে আমি ও একজন শিক্ষক মিলে প্রায় ৩৫ জনের নাম অনলাইনে নথিভুক্ত করে ফেলেছি। রাতের মধ্যে আশা করি সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ