


নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: প্রতি বুথে একজন করে বিএলও নিয়োগ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে রাজ্যের বেশিরভাগ জেলা। গ্রুপ সি বা তার ঊর্ধ্বস্তন পদে কর্মরত সরকারি কর্মীদের এই কাজে নিযুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। কিন্তু বুথ পিছু একজন করে এমন কর্মী জোগাড় করতে নাজেহাল অবস্থা জেলা প্রশাসনগুলির। কারণ পর্যাপ্ত সংখ্যক সরকারি কর্মী পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে, ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে বিএলও নিয়োগ সংক্রান্ত রিপোর্ট পাঠানোর কথা। এই অবস্থায় আর তিনদিনের মধ্যে কীভাবে এই কাজ শেষ হবে, তা নিয়ে চিন্তায় জেলার আধিকারিকরা। আগস্ট মাস থেকেই স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা। এই অবস্থায় দ্রুত বিএলও জোগাড় করা না গেলে গোটা প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হতে পারে বলে আশঙ্কা আধিকারিকদের।
কমিশনের বেঁধে দেওয়া শর্তে বিপাকে পড়েছে বহু জেলা। কারণ কিছু জায়গায় লোকবল থাকলেও তাঁদের এই কাজে নিয়োগ করা যাচ্ছে না। অনেক শিক্ষককে বুথ লেভেল অফিসার করার সুযোগ থাকলেও নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে সংশ্লিষ্ট বুথের বাসিন্দা হতে হবে। সব সময় এমন শিক্ষক না পাওয়ায় এই সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। আটকে যাচ্ছে যাবতীয় পরিকল্পনা।
এখনও পর্যন্ত খবর, রাজ্যের একটা বড় সংখ্যক বুথে সরকারি কর্মীর অভাবে বিএলও নিয়োগ করা যায়নি। সূত্রের খবর, কলকাতা শহরের বুথগুলিতে এই সমস্যা তুলনায় বেশি। কোনও বিধানসভা কেন্দ্রে এখনও শতাধিক বিএলও দরকার, কোনওটায় আবার প্রয়োজন জনা পঞ্চাশ। এর উপর বুথের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সমস্যা আরও ঘনীভূত হয়েছে। তবে একান্তই যদি কমিশনের নিয়মের গেরোয় পর্যাপ্ত বিএলও না পাওয়া যায়, তাহলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের এই কাজে ব্যবহার করতে পারবে নির্বাচনী আধিকারিকরা। সেই সম্ভাবনার কথা এখন থেকেই ভাবতে শুরু করেছে একাধিক জেলা।