সংবাদদাতা, কাটোয়া: বাইরে থেকে আগুন লাগানোর তত্ত্বেই অনড় রেল। রবিবার কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা কাটোয়া-আজিমগঞ্জ ট্রেনের একটি বগি আচমকা দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। মুহূর্তেই সেটি পুড়ে ছারখার হয়ে যায়। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে প্রথম থেকেই পূর্ব রেল জানিয়ে আসছে, ট্রেনটির সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। ফলে, শটসার্কিট থেকে আগুন ধরে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। রেলের বক্তব্যে এটা স্পষ্ট, বাইরে থেকে কেউ আগুন না ধরিয়ে দিলে এভাবে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ত না। তবে, কে বা কারা এমন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত, তা সোমবার রাত পর্যন্ত চিহ্নিত করতে পারেনি রেল। স্টেশনে সমস্ত সিসি টিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এর মধ্যে এদিনই দুপুরে এসে পৌঁছেছে আট সদস্যের ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ দল। তারা দু’টি দলে ভাগ করে তদন্ত শুরু করেন। অগ্নিদগ্ধ বগির ভিতর থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন বিশেষজ্ঞরা। সেগুলি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে মনে করছেন রেলকর্তারা। স্টেশন ও পুড়ে যাওয়া বগি পরিদর্শন শেষে পূর্ব রেল পুলিশের আইজি অমিয়নন্দন সিনহা বলেন, ‘আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি। প্রাথমিকভাবে রেলের যান্ত্রিক কোনও সমস্যা সামনে আসেনি। সিসি টিভি ফুটেজে কয়েকজন লোককে যাতায়াত করতে দেখা গিয়েছে। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা নমুনা সংগ্রহ করেছেন। তাঁরাও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন। কোনও রাসায়নিক পদার্থের জন্য আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল কি না, সেটাও দেখা হবে। রিপোর্ট পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি। এখনও পর্যন্ত সন্দেহজনক কাউকেই আটক করা হয়নি।’



