Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

উত্তর ২৪ পরগনার ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প, ৫০ হাজার উপভোক্তার জন্য দ্বিতীয় দফায় বরাদ্দ ৩০৪ কোটি

লিনটেল বা লিনটন পর্যন্ত নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়েছে মাত্র ৫০ হাজার বাড়ির। রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তরে এই রিপোর্ট যাওয়ার পরই উত্তর ২৪ পরগনা জেলার জন্য ৩০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।

উত্তর ২৪ পরগনার ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প, ৫০ হাজার উপভোক্তার জন্য দ্বিতীয় দফায় বরাদ্দ ৩০৪ কোটি
  • ১৫ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: লিনটেল বা লিনটন পর্যন্ত নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়েছে মাত্র ৫০ হাজার বাড়ির। রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তরে এই রিপোর্ট যাওয়ার পরই উত্তর ২৪ পরগনা জেলার জন্য ৩০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। সেই মতো ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পৌঁছে গিয়েছে ব্লকে ব্লকে। দ্রুত সেই টাকা বণ্টন করা হবে। 

Advertisement

উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ৮২ হাজার দু’জন উপভোক্তা প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা পেয়েছেন। কিন্তু সরকারি ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর’র অনুযায়ী লিনটেল পর্যন্ত কাজ হলে তবেই মিলবে দ্বিতীয় কিস্তির ৬০ হাজার টাকা। সেই মতো পঞ্চায়েত ধরে ধরে সার্ভে করা হয়। দপ্তর সূত্রে খবর, চূড়ান্ত সার্ভে করে দেখা গিয়েছে, জেলায় সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী মোট ৫০ হাজার ৬৮১ জন উপভোক্তার বাড়ি তৈরি হয়েছে লিনটন পর্যন্ত। তবে বাকি প্রায় ৩০ হাজার বাড়ির কাজের গতি খুবই শ্লথ। আর এ নিয়ে রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তরে জেলাশাসকদের দপ্তর থেকে রিপোর্ট জমা পড়ে। তাই এই সংখ্যক উপভোক্তাদের টাকা বরাদ্দ হয়েছে। সবমিলিয়ে ৩০৪ কোটি ৮ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছে। সেই টাকা জেলার পক্ষ থেকে প্রতিটি ব্লকে পাঠানো হয়ে গিয়েছে। জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র বলছে, টাকা পাওয়ার শীর্ষে রয়েছে হাসনাবাদ ব্লক। এখানে মোট ৫ হাজার ৩৬০ জন উপভোক্তার বাড়ি লিনটন পর্যন্ত হয়ে গিয়েছে। এরপরে বাগদা। এই ব্লকে উপভোক্তার সংখ্যা ৪ হাজার ৮৯০ জন। তবে, রাজারহাট, বারাকপুরের দুটি, আমডাঙা ব্লকের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাওয়ার উপভোক্তার সংখ্যা কম। এনিয়ে জেলা প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, টাকা প্রতিটি ব্লকেই চলে গিয়েছে। নির্দেশ এলেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সম্ভবত চলতি সপ্তাহেই তাঁরা টাকা পাবেন। তবে, যাঁরা এখন টাকা পাচ্ছেন না তাঁদের বাড়ি বাড়ি সার্ভে করে বলা হচ্ছে দ্রুত লিনটন পর্যন্ত কাজ করতে। তাঁরাও টাকা পেয়ে যাবেন। বারাসত ১ বিডিও রাজীব দত্ত চৌধুরী বলেন, সরকারি নির্দেশ জেলার পক্ষ থেকে আমাদের কাছে এসেছে। টাকাও ব্লকে এসে গিয়েছে। অপেক্ষা কেবল ছাড়ার নির্দেশের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ