নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, শুক্রবার বিকেলে যাদবপুরে ১০ হাজার কণ্ঠে গাওয়া হল বন্দেমাতরম। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন তাপস রায়, স্বপন দাশগুপ্ত–সহ প্রমুখরা। জাতীয় পতাকা হাতে হাজার হাজার মানুষ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে থানা পর্যন্ত জমায়েত করেছিলেন। ছিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থক, এভিবিপিও। বন্দেমাতরমের স্তবকগুলি গাওয়ার সময় জাতীয় পতাকা হাতে মঞ্চের নিচেই দাঁড়িয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃষ্টিতে ভিজেও যান তিনি। এরপর মঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখেন। বলেন, শহরের রাস্তায় আজাদি স্লোগান কেন? কিসের আজাদি? দেশ তো বহু আগেই স্বাধীন হয়েছে।” কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি স্লোগান ইস্যুতেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, ফ্রি প্যালেস্তাইন আওয়াজ তোলা হয়। তা বদলে ফ্রি পাক অধিকৃত কাশ্মীর বলা উচিত।
এদিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে রেড স্যালুট কিষেণজি লেখা নিয়েও সরব হন তিনি। বলেন, কিষেণজি দেশ বিভাজনের পক্ষে ছিলেন। ভারতের সংবিধান স্বীকার না করে তা পুড়িয়ে দিয়েছিলেন। নির্বাচন বয়কটের ডাক দিয়েছিলেন। তার মাহাত্ম্য প্রচার করে নতুন প্রজন্মকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়া যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অশান্তির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে দীর্ঘদিন ধরেই বিদেশি শক্তির প্রভাব রয়েছে। যা বিগত ৩৫ বছর ধরে যাদবপুরকে চালাত। পাশাপাশি বলেন, নেতাজিকে তোজোর কুকুর বলেছিল বামেরা। রবীন্দ্রনাথকেও অপমাণ করেছিল সিপিএম। এরা একেবারেই দেশপ্রেম জানে না। যাদবপুরে টুকরে টুকরে গ্যাং রয়েছে। হয় এরা থাকবে না হয় আমি থাকব। বন্দেমাতরম গাওয়া নিয়েও অনেকে আপত্তি জানাচ্ছে। দেশের ভিতরে থেকেই দেশকে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে। তাদের আবর্জনার মতো পরিষ্কার করে দিতে হবে। রাখিবন্ধনের দিনে এই শপথ নেওয়ার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী।