সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: গৌড়দিঘিতে নৌকাবিহারের অনুমতি নেই। তা সত্ত্বেও পিকনিকের মরশুমে চলছে নৌকাবিহার। পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য নেই লাইফ জ্যাকেটও। এই পরিস্থিতিতে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে, তার দায় কে নেবে, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। অনুমতি ছাড়া কীভাবে ঐতিহ্যবাহী দিঘিতে নৌকাবিহার হচ্ছে, প্রশাসনের নজরদারি নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
হরিরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির অধীনে রয়েছে গৌড়দিঘি পিকনিক স্পট। এবং জেলা পরিষদের অধীনে রয়েছে গৌড়দিঘিটি। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রেমচাঁদ নুনিয়া বলেন, গৌড়দিঘিতে নৌকাবিহারের কোনও অনুমতি আমরা দিইনি। কারা নৌকাবিহার করাচ্ছে, আমাদের জানা নেই।
ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনে গৌড়দিঘিতে পিকনিক করতে জেলার বহু মানুষ ভিড় করেন। গৌড়দিঘির ফরেস্টে জেলা ও জেলার বাইরে থেকে আসা পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়ে। গৌড়দিঘির পাড়েও বসে পিকনিকের আসর। বৃহস্পতিবার বিশাল গৌড়দিঘিতে দেখা গেল নৌকাবিহারের চিত্র। লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই পর্যটকদের নিয়ে নৌকাবিহার চলে। কোনও অনুমতি ছাড়াই কয়েকজন নৌকাবিহার করাচ্ছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে নৌকার মাঝি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। বিষয়টি প্রশাসন খতিয়ে দেখে পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছে।
এদিন পিকনিক করতে আসা সুনীতা সরকার লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই নৌকাবিহার করেন। তিনি উত্তর দিনাজপুর জেলার বাসিন্দা। সুনীতা বলেন, দিঘির সৌন্দর্য্য অপূর্ব। অনেকেই এই দিঘিতে নৌকাবিহার করেছেন। লাইফ জ্যাকেট না থাকলেও মনের সাহস নিয়ে উঠেছি। অনুমতি ছাড়াই ঝুঁকি নিয়ে যেভাবে দিঘিতে নৌকাবিহার হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পিকনিক করতে আসা অনেকেই। গৌড়দিঘিতে লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই চলছে নৌকাবিহার।-নিজস্ব চিত্র