Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঘণ্টার পর ঘণ্টার বিদ্যুৎ নেই রানাঘাটে, শান্তিপুরের পাওয়ার হাউস ভাঙচুর, ধৃত ৯

ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাট। তাও আবার রাতে! হাসফাস গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পাওয়ার হাউসে ভাঙচুর চালাল উত্তেজিত জনতা।

ঘণ্টার পর ঘণ্টার বিদ্যুৎ নেই রানাঘাটে,  শান্তিপুরের পাওয়ার হাউস ভাঙচুর, ধৃত ৯
  • ১২ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাট। তাও আবার রাতে! হাসফাস গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পাওয়ার হাউসে ভাঙচুর চালাল উত্তেজিত জনতা। মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় শান্তিপুর পাওয়ার হাউস চত্বরে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয় পুলিসকে। ঘটনার তদন্তে নেমে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে শান্তিপুর থানা। তৃণমূলের দাবি, বিজেপির মদতে এই ভাঙচুর হয়েছে। যদিও তা অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত শান্তিপুর থানায় এলাকার বাগআঁচড়া থেকে। বেশ কয়েকদিন ধরেই সেখানে নিয়মিত বিদ্যুৎবিভ্রাট চলছিল। লাগাতার লোডশেডিং নিয়ে ক্ষোভ থাকলেও তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে মঙ্গলবার রাতে। বাসিন্দাদের দাবি, মঙ্গলবার রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কারেন্ট ছিল না এলাকায়। তীব্র গরমে নাজেহাল হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ। বেশ কয়েকজন বৃদ্ধ এবং সদ্যোজাত অসুস্থও হয়ে পড়ে। ফলে শান্তিপুর থানায় এলাকার গোবিন্দপুর বাবলা এলাকায় পাওয়ার হাউসে  লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে আসেন বাগআঁচড়া এলাকার কিছু মানুষ। অভিযোগ, বিক্ষোভের মাঝে আচমকাই ভাঙচুর শুরু করেন তাঁরা। অফিসের ভিতরে ঢুকে টেবিল, চেয়ার, জানলা ভাঙচুর করা হয়। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকার পরিস্থিতি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে শান্তিপুর থানার পুলিস। প্রথমে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে কিছুটা বেগ পেতে হলেও পরে পরিস্থিতি সামাল দেয় তারা। ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ৯ জনকে। তাদের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিসের এক কর্তা বলেন, আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি। ন’ জনকে গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। তদন্ত চলছে। 

Advertisement

এদিকে পাওয়ার হাউস ভাঙচুরের ঘটনায় শান্তিপুরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, পাওয়ার হাউসে হামলা বিজেপির মদতে হয়েছে। শান্তিপুর ব্লক এ তৃণমূলের সভাপতি সুব্রত সরকার বলেন, বাগআঁচড়া এলাকায় বিদ্যুতের সমস্যা রয়েছে। কিন্তু সরকার স্থায়ী সমাধানের পথেই এগচ্ছে। ওই এলাকায় একটি পৃথক সাব স্টেশন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার মাঝে পাওয়ার হাউসে এই ধরনের ভাঙচুর বিজেপির মদতে হয়েছে। যদিও তৃণমূলের তরফে তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। গয়েশপুর এলাকার বিজেপি কনভেনার পাপুল পাল বলেন, তৃণমূল যদি বিজেপিকে দায়ী করে থাকে তাহলে অহেতুক রাজনীতি করার চেষ্টা করছে বলতে হয়। এখানে রাজনীতি করে কিছু হবে না। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ