সংবাদদাতা, বোলপুর: ফের তাজা বোমা উদ্ধার বীরভূমে। জেলার পৃথক দু’টি জায়গায় মোট ২৯টি বোমা উদ্ধার হয়েছে। প্রথম ঘটনাটি নানুরের থুপসারা পঞ্চায়েতের তাকোরা গ্রামের। অন্যটি সাঁইথিয়া থানার হাতোরা পঞ্চায়েতের হোসেনপুরের। জেলার নানা প্রান্তে আচমকা বোমা উদ্ধার ও বোমাবাজির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন পুলিস প্রশাসন। দু’টি জায়গাতেই উদ্ধার হওয়া বোমা নিষ্ক্রিয় করেছে বম্ব স্কোয়াড।
Advertisement
বাম আমলে বারুদ ও বোমার গুদাম ছিল বীরভূমের নানুর, লাভপুরের মতো এলাকা। ওই এলাকাগুলিকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করেছিল প্রশাসন। তবে, রাজ্যে রাজনৈতিক পালা বদলের পর পরিস্থিতি বদলেছে। যদিও, বোমাবাজি বা বোমা উদ্ধার পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে এ যাবৎ শান্তিপূর্ণ ছিল গোটা জেলা। কিন্তু নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহে কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের বাড়িতে বোমাবাজি হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই লাভপুর থানায় বোমাবাজির খবর আসে। সংশ্লিষ্ট থানার হাতিয়া পঞ্চায়েতের লাঘোসা গ্রামে দুই ভাইয়ের পারিবারিক বিবাদকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বোমাবাজি হয়। এরপর এদিন নানুর ও সাঁইথিয়ায় তাজা বোমা উদ্ধার করল দুই থানা।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে নানুরের থুপসারা পঞ্চায়েতের তাকোরা গ্রামের মাঠপাড়ায় পরিত্যক্ত একটি জায়গার ঝোপের মধ্যে একটি ড্রামে প্রায় ১৫টি বোমা উদ্ধার করে পুলিস। থানার এক অফিসার বলেন, স্থানীয়রা খবর দেওয়ার পরেই এলাকাটিকে ঘিরে বোমাগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। কে বা কারা এই ঘটনা সঙ্গে যুক্ত তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি অন্য কোথাও বোমা রয়েছে কিনা তাও তল্লাশি করে দেখা হচ্ছে। বোমা মজুদের উদ্দেশ্য কী, তাও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে পুলিস।
পাশাপাশি সাঁইথিয়া থানার হাতোরা পঞ্চায়েতের হোসেনপুর থেকে প্রায় ১৪টি বোমা উদ্ধার করেছে পুলিস। সেগুলি একটি প্লাস্টিকের জারে রাখা ছিল। বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ ক্যানেল পাড়ের ঝোপের মধ্যে থেকে বোমাগুলি উদ্ধার করেছে সাঁইথিয়া থানা। যদিও এই ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। তবে এই বোমাগুলি কারা, কী উদ্দেশ্যে মজুদ করেছিল তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। এক্ষেত্রেও বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করেছে বম্ব স্কোয়াড।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে নানুরের থুপসারা পঞ্চায়েতের তাকোরা গ্রামের মাঠপাড়ায় পরিত্যক্ত একটি জায়গার ঝোপের মধ্যে একটি ড্রামে প্রায় ১৫টি বোমা উদ্ধার করে পুলিস। থানার এক অফিসার বলেন, স্থানীয়রা খবর দেওয়ার পরেই এলাকাটিকে ঘিরে বোমাগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। কে বা কারা এই ঘটনা সঙ্গে যুক্ত তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি অন্য কোথাও বোমা রয়েছে কিনা তাও তল্লাশি করে দেখা হচ্ছে। বোমা মজুদের উদ্দেশ্য কী, তাও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে পুলিস।
পাশাপাশি সাঁইথিয়া থানার হাতোরা পঞ্চায়েতের হোসেনপুর থেকে প্রায় ১৪টি বোমা উদ্ধার করেছে পুলিস। সেগুলি একটি প্লাস্টিকের জারে রাখা ছিল। বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ ক্যানেল পাড়ের ঝোপের মধ্যে থেকে বোমাগুলি উদ্ধার করেছে সাঁইথিয়া থানা। যদিও এই ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। তবে এই বোমাগুলি কারা, কী উদ্দেশ্যে মজুদ করেছিল তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। এক্ষেত্রেও বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করেছে বম্ব স্কোয়াড।



