নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: নন্দীগ্রামে বড়সড় ভাঙনের মুখে বিজেপি। শনিবার নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের বৃন্দাবনচক হাইস্কুলে বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা-কর্মীরা দল ছাড়ার আগে একত্রিত হয়ে মিটিং করলেন। সেখানে বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য অশোক করণ, পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ দেবাশিস দাস এবং গোকুলনগর সহ একাধিক পঞ্চায়েতের প্রায় ১২জন সদস্য ছিলেন। এছাড়াও নন্দীগ্রাম-২ ব্লক থেকেও একঝাঁক বিজেপি নেতা-কর্মী ওই মিটিংয়ে হাজির ছিলেন।
Advertisement
সম্প্রতি গোকুলনগর পঞ্চায়েতে আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে সেখানে দলের মধ্যে বিভাজন প্রকট হয়েছে। একসময় গোকুলনগরে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি ছিলেন অশোক করণ। ২০২০সালে তিনি ‘দাদার অনুগামী’ হিসেবে বিজেপিতে যোগ দেন। কিন্তু, চার বছরের মধ্যেই বিজেপিতে তাঁর মোহভঙ্গ হয়েছে। এছাড়াও পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ দেবাশিসবাবু গোকুলনগর থেকেই নির্বাচিত। তিনিও দল ছাড়ার জন্য পা বাড়িয়ে রয়েছেন। ওই পঞ্চায়েতের আট-দশজন বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য দল ছাড়তে চলেছেন। এরফলে শুধু গোকুলনগর পঞ্চায়েত নয়, নন্দীগ্রাম-১ পঞ্চায়েত সমিতিও বিজেপির হাতছাড়া হতে পারে। কারণ, গত বছর ভোটে পঞ্চায়েত সমিতি টাই হয়েছিল। টস করে বোর্ড গঠন হয়েছে।
শনিবার সকালে গোকুলনগর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বৃন্দাবনচক হাইস্কুলে বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা-কর্মীরা মিটিং করেন। সেখানে অশোক করণ, দেবাশিস দাসের পাশাপাশি গোকুলনগরের উপপ্রধানের স্বামী পিন্টু গিরি সহ আরও কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। গত ২৯অক্টোবর ওই পঞ্চায়েতের মহেশপুর সমবায় কৃষি সমিতির ভোট হয়। সেই ভোটে ১১-১মার্জিনে জয়ী হয় বিজেপি। তারপর দলের পক্ষ থেকে মাইক নিয়ে অশোক করণ, দেবাশিস দাসদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাঁরা দলের মধ্যেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন।
বিজেপি পরিচালিত গোকুলনগর পঞ্চায়েতে আর্থিক দুর্নীতি সামনে আনেন দলের বিক্ষুব্ধ পঞ্চায়েত সদস্যরাই। তাঁদের আন্দোলনের জেরে পঞ্চায়েতে এক বছরে ৪৯লক্ষ টাকার অনিয়ম সামনে এসেছে। পঞ্চায়েতের সচিব জেলে আছেন। প্রধানের ভূমিকা আতশকাচের তলায়। গত সোমবার পঞ্চায়েতে স্পেশাল অডিট হয়েছে। এরপর কী হবে তা নিয়ে উৎকণ্ঠায় রয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। গোকুলনগরের ওই ঘটনা থেকেই দলের দুই গোষ্ঠীর রেষারেষি চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছেছে।
বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য অশোক করণ বলেন, শনিবার আমরা মিটিং করেছি। সেখানে আগামী দিনে গোকুলনগরের পঞ্চায়েতে কাজকর্ম নিয়ে কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা বিডিওর কাছে যাব। দেবাশিসবাবু বলেন, দলের পক্ষ থেকে মাইকে আমাদের বিদ্রুপ করা হচ্ছে। এই অবস্থায় দল করা সম্ভব নয়। তাই আগামী দিনে দল ছাড়ার মতো সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। এদিন তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল বলেন, গোটা পরিস্থিতির উপর আমাদের নজর রয়েছে।
শনিবার সকালে গোকুলনগর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বৃন্দাবনচক হাইস্কুলে বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা-কর্মীরা মিটিং করেন। সেখানে অশোক করণ, দেবাশিস দাসের পাশাপাশি গোকুলনগরের উপপ্রধানের স্বামী পিন্টু গিরি সহ আরও কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। গত ২৯অক্টোবর ওই পঞ্চায়েতের মহেশপুর সমবায় কৃষি সমিতির ভোট হয়। সেই ভোটে ১১-১মার্জিনে জয়ী হয় বিজেপি। তারপর দলের পক্ষ থেকে মাইক নিয়ে অশোক করণ, দেবাশিস দাসদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাঁরা দলের মধ্যেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন।
বিজেপি পরিচালিত গোকুলনগর পঞ্চায়েতে আর্থিক দুর্নীতি সামনে আনেন দলের বিক্ষুব্ধ পঞ্চায়েত সদস্যরাই। তাঁদের আন্দোলনের জেরে পঞ্চায়েতে এক বছরে ৪৯লক্ষ টাকার অনিয়ম সামনে এসেছে। পঞ্চায়েতের সচিব জেলে আছেন। প্রধানের ভূমিকা আতশকাচের তলায়। গত সোমবার পঞ্চায়েতে স্পেশাল অডিট হয়েছে। এরপর কী হবে তা নিয়ে উৎকণ্ঠায় রয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। গোকুলনগরের ওই ঘটনা থেকেই দলের দুই গোষ্ঠীর রেষারেষি চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছেছে।
বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য অশোক করণ বলেন, শনিবার আমরা মিটিং করেছি। সেখানে আগামী দিনে গোকুলনগরের পঞ্চায়েতে কাজকর্ম নিয়ে কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা বিডিওর কাছে যাব। দেবাশিসবাবু বলেন, দলের পক্ষ থেকে মাইকে আমাদের বিদ্রুপ করা হচ্ছে। এই অবস্থায় দল করা সম্ভব নয়। তাই আগামী দিনে দল ছাড়ার মতো সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। এদিন তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল বলেন, গোটা পরিস্থিতির উপর আমাদের নজর রয়েছে।



