Bartaman Logo
২৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অনুপ্রবেশ, জাল ভারতীয় নথি তৈরির তদন্তে এবার এনআইএ

বনগাঁতে অনুপ্রবেশ ও জাল ভারতীয় নথি তৈরির তদন্তে এনআইএ নয়া মামলা শুরু করেছে। তদন্তের মূল মাথা সাহাবউদ্দিন। বিস্তারিত পড়ুন।

অনুপ্রবেশ, জাল ভারতীয় নথি  তৈরির তদন্তে এবার এনআইএ
  • ২৩ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও জাল ভারতীয় নথি তৈরির মামলায় ইডির পর এবার আসরে এনআইএ। বনগাঁ থানায় রুজু হওয়া এই সংক্রান্ত কেসের তদন্তভার নিয়ে আলাদা মামলা শুরু করেছে জাতীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। ইতিমধ্যেই বনগাঁ থানার কাছে এই সংক্রান্ত নথি চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। বাংলাদেশে থেকে জঙ্গি সংগঠন এখানকার এনজিওকে টাকা পাঠাচ্ছে। সেই টাকা ব্যবহার হচ্ছে অনুপ্রবেশকারীদের জাল ভারতীয় নথি তৈরির জন্য। ভারতীয় আধার, ভোটার কার্ড, পাসপোর্ট তৈরি করে দেশের বিভিন্নপ্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে তারা। সেখানে জঙ্গি সংগঠনের স্লিপার সেলের হয়ে কাজ করছে। এর তদন্তেই কয়েকদিন আগে ইডি ও উত্তরপ্রদেশ পুলিশ যৌথভাবে বনগাঁ, হাড়োয়াসহ উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত লাগোয়া গ্রামে তল্লাশি চালায়। এরপর এই নিয়ে খোঁজখবর শুরু করে এনআইএ। তারা জানতে পারে চলতি বছরের মে মাসে অনুপ্রবেশ ও জাল ভারতীয় নথি তৈরি নিয়ে বনগাঁ থানায় কেস রুজু হয়েছে। সেই মামলায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করে বনগাঁ পুলিশ জেলা। এবার সেই মামলার তদন্তভারই এনআইএ তুলে নিয়েছে বলে খবর। 

Advertisement

আদালত সূত্রে খবর, এর কেস ডায়েরিসহ যাবতীয় নথি চাওয়া হয়েছে স্থানীয় থানার কাছে। তদন্তে উঠে এসেছে বনগাঁর বাসিন্দা তথা তৃণমূল নেতা সাহাবউদ্দিন এই চক্রের মাথা। তার  সঙ্গে বাংলাদেশে পাচারচক্রের লোকজনের যোগাযোগ রয়েছে। সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশিরা আসার পর তাদের রিসিভ করছে সাহাবউদ্দিনের লোকজন। সেখান থেকে তাদের এনে বনগাঁর গ্রামে রাখা হচ্ছে। কলকাতায় ভারতীয় নথি তৈরি করছে চক্রের সদস্যরা। এমনকি ভারতীয় পাসপোর্ট পর্যন্ত তৈরি হয়ে যাচ্ছে অনুপ্রবেশকারীদের। হাওড়ায় নিয়ে এসে সেই নথি তাদের হাতে দিচ্ছে এজেন্টরা। তারপর তারা বিভিন্ন রাজ্যে চলে যাচ্ছে। সেখানে গিয়ে স্লিপার সেল তৈরি করছে বলে খবর। চক্রের মূল মাথার নেতৃত্বে নেটওয়ার্ক কতদূর ছড়িয়ে পড়েছে তার খোঁজখবর করছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ