Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নলহাটিতে ২০ দিনের মাথায় ভেঙে পড়ল নতুন জলের ট্যাঙ্ক

চালু হওয়ার মাত্র ২০দিনের মাথায় নলহাটি-২ ব্লকের ভদ্রপুর-১ পঞ্চায়েতের আকালিপুর গ্রামে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল জলের ট্যাঙ্ক

নলহাটিতে ২০ দিনের মাথায় ভেঙে পড়ল নতুন জলের ট্যাঙ্ক
  • ২১ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: চালু হওয়ার মাত্র ২০দিনের মাথায় নলহাটি-২ ব্লকের ভদ্রপুর-১ পঞ্চায়েতের আকালিপুর গ্রামে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল জলের ট্যাঙ্ক। নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার জেরে বাসিন্দারা পানীয় জলের সমস্যাতেও পড়েছেন।

Advertisement

২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষে বীরভূম জেলা পরিষদ আকালিপুর গ্রামের কলোনি পাড়ায় জলসঙ্কট মেটাতে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ১১ লক্ষ ৮৫হাজার টাকা বরাদ্দ করে। সাবমার্সিবল পাম্পের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ জল তুলে ওভারহেড দু’টি ট্যাঙ্কে ভর্তি করে সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেইমতো গত ১০ ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু হয়। পাইপলাইন বসিয়ে ১০০টি ট্যাপ বসানো হয়। কাজ শেষ হয় গত ৩০এপ্রিল। ২০দিন আগে সেই প্রকল্প চালু হয়। এলাকার বাসিন্দারা দু’বেলা জল পেতে শুরু করেন। দীর্ঘদিনের সমস্যা মেটায় খুশি হয়েছিলেন সকলে। কিন্তু, এরই মধ্যে ঘটে গেল বিপত্তি। দিন তিনেক আগে হঠাৎই উপরে থাকা একটি ট্যাঙ্ক হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। লোহার নির্মাণও ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় জল নিতে আসা মহিলারা দৌড়ে পালিয়ে যান। তারপর থেকেই বন্ধ জলপ্রকল্প। 
গ্রামবাসীরা বলেন, প্রকল্প হওয়ায় ভেবেছিলাম দীর্ঘদিনের জলসঙ্কট দূর হল। কিন্তু শুরুতেই তো বিপত্তি। লোহার ওভারহেড কাঠামোও কবে না ভেঙে পড়ে। 
জলের ট্যাঙ্কটি ভেঙে পড়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ওভারহেড ট্যাঙ্কটি নির্মাণ করায় এই বিপত্তি ঘটেছে। দ্রুত এই কাজ সঠিকভাবে করার ব্যাপারে আর্জি জানিয়েছেন গ্রামের বাসিন্দারা। ভদ্রপুর-১ পঞ্চায়েতের প্রধান মানসী মণ্ডল বলেন, জেলা পরিষদ থেকে ঠিকাদার নিয়োগ করে কাজ হয়েছে। অত্যন্ত নিম্নমানের কাজ হয়েছে। শুধু ট্যাঙ্ক ভেঙেছে তা নয়, লোহার কাঠামোও বসে গিয়েছে। গ্রামবাসীরা সমস্যায় পড়েছেন। জেলা পরিষদকে বিষয়টি জানানো হবে। ভালোভাবে কাজ করার জন্য বলা হবে। বিজেপির জেলাস্তরের নেতা শান্তনু মণ্ডল বলেন, আমরা তৃণমূলের দুর্নীতির কথা বলে আসছি। আজ মানুষ তা প্রত্যক্ষ করছে। অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। শুধু জলের ট্যাঙ্ক নয়, রাস্তাঘাটের কাজও অত্যন্ত নিম্নমানের করা হচ্ছে। শাসকদলের ছোট বড় নেতাদের খুশি করতে ঠিকাদারকে টাকা দিতে হচ্ছে। স্বভাবতই কাজের মান খারাপ হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ বলেন, এখনও পর্যন্ত এব্যাপারে আমার কাছে লিখিত কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ