দৈনন্দিন পোশাকের মধ্যে অন্যতম জিনস। অফিসিয়াল হোক বা ক্যাজুয়াল, জিনসের জুড়ি মেলা ভার। জিনসের জামা, জ্যাকেটের ব্যবহার হলেও বহুল ব্যবহৃত হয় জিনসের প্যান্ট। এহেন জিনস পুরনো হয়ে গেলে তা ফেলে না দিয়ে গৃহসজ্জার কাজে লাগাতে পারেন। ব্যাপারটা ঠিক ‘ছিল রুমাল হয়ে গেল বিড়াল’-এর মতই। পুরনো বাতিল হয়ে যাওয়া জিনস দিয়েও অভিনব পুনর্ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী তৈরি করা সম্ভব। রইল তেমনই কিছু তালিকা।
ব্যাগ: পুরনো জিনসকে সুন্দরভাবে কেটে ব্যাগ বানিয়ে নেওয়া যেতে পারে। পুরনো জিনস দিয়ে তৈরি নতুন ব্যাগের বোহো লুক নজর কাড়বেই।
কুশন কভার: বাড়ির কুশনগুলোকে একই কভারে দেখতে দেখতে একঘেয়ে লাগলে তাতে দিন নতুনত্বের ছোঁয়া। কুশনের মাপ মতো জিনস কেটে নিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন কুশন কভার। এতে আরও একটু নতুনত্বের ছোঁয়া দিতে কভারের ওপর ডিজাইন বা প্যাচওয়ার্ক এর কাজও করতে পারেন। নিজের হাতে বানানো কুশন কভার আপনার ঘরে ভোল পাল্টে দেবে।
ডোর ম্যাট: পুরনো জামাকাপড় দিয়ে ডোর ম্যাট বানানো বহু পুরনো রীতি। পুরনো ছেঁড়া জিনস ফেলে না দিয়ে ডোর ম্যাট বা ফ্লোর ম্যাট বানিয়েও পুনরায় ব্যবহার করা যেতে পারে।
আসন: প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার ঘরে ঘরে কোনও উৎসবে-পার্বণে আসনের চল দেখা যায়। চটের তৈরি ঐতিহ্যবাহী আসনের পাশাপাশি পুরনো জিনস দিয়ে বানানো ট্রেন্ডি আসনও বানিয়ে নিতে পারেন। আরও ভালো ডিজাইনের জন্য প্যাচওয়ার্কের কাজ বা ফ্রিল দিয়েও মনের মতো করে আসন সাজানো যেতে পারে।
হ্যাঙ্গিং অর্গানাইজার: পুরনো জিনসকে ফেলে না দিয়ে তার পকেটের অংশগুলি সযত্নে কেটে সরিয়ে রাখুন। তারপর জিনসেরই একটা বড় অংশ কেটে সেই পকেটগুলোকে জুড়ে জুড়ে তৈরি করে নিতে পারেন ওয়াল হ্যাঙ্গিং অর্গানাইজার। টুকটাক প্রয়োজনীয় জিনিস গুছিয়ে রাখতে পারবেন।
টেবিল ম্যাট: নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মধ্যে টেবিল ম্যাট, কোস্টার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পুরনো জিনস ফেলে না দিয়ে একটু বুদ্ধি করে অল্প সময়েই বানিয়ে ফেলা যায় টেবিল ম্যাট, কোস্টার।