সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ তদারকির জন্য শহরে নতুন অফিস খোলা হচ্ছে। এ সপ্তাহ থেকেই ‘অফিস অফ দ্য টাস্ক ফোর্স ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান’ অফিস থেকে মাস্টার প্ল্যানের সমস্ত কাজ দেখাশোনা করা হবে। রাজ্যের সেচ ও জলপথ দপ্তরের মন্ত্রী মানসরঞ্জন ভুঁইয়া বলেন, ঘাটাল শহরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে একটি ভাড়া বাড়িতে অফিসটি করা হয়েছে। ওই অফিসেই সেচদপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা মাস্টার প্ল্যানের কাজ দেখভাল ও তদারকি করবেন। ওই অফিসেই ঘাটাল মহকুমা সেচ ও জলপথ দপ্তরটিকে স্থানান্তরিত করে আনা হচ্ছে।
১৯৭২-’৭৭ সালে কংগ্রেস আমলে ঘাটাল শহরে কোন্নগরে সেচদপ্তরের একটি অফিস তৈরি করা হয়। অফিস থেকে কিছুটা দূরে শিলাবতী নদী পাড়ে সেচদপ্তরের শিলাবতী বাংলো তৈরি হয়। শিলাবতী নদীর পূর্বদিকে সেচদপ্তরের ওই অফিসেই এতদিন পর্যন্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা কাজকর্ম করতেন।
শিলাবতী নদীর পশ্চিম দিকে ঘাটাল থানার কার্যালয়টি রয়েছে। শিলাবতীতে জলস্ফীতি হলেই ঘাটাল থানার কার্যালয়ে এক কোমরেরও বেশি জল দাঁড়িয়ে যায়। ফলে বর্ষার সময় বছরে একাধিকবার থানাকে অস্থায়ীভাবে অন্যত্র স্থানান্তরিত করতে হতো। ২০২৪ সালে বর্ষার সময় সেচদপ্তরের অনুমতি নিয়েই ঘাটাল থানা সেচদপ্তরের অফিসে স্থানান্তরিত হয়ে আসে। সেই থেকে থানাটি ওখানেই রয়েছে। অন্য দিকে থানা নিজেদের অফিস দখল করে নেওয়ার ফলে সেচদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারদের কাজকর্ম শিলাবতী বাংলোতেই হয়ে আসছে। সেচদপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা বলেন, বাংলোর ছোট দু’টি রুমে অফিস চালানো খুবই সমস্যা হচ্ছিল। সেই জন্য বিষয়টি তাঁরা অনেক দিন আগেই মন্ত্রীকে জানান।
এরই মধ্যে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান কার্যকরী করার জন্য টাকা বরাদ্দের পাশাপাশি অন্যান্য তৎপরতাও চূড়ান্তভাবে বেড়ে যায়। নভেম্বর মাস থেকে মাস্টার প্ল্যানের অঙ্গ হিসেবে নদী ড্রেজিং শুরু হবে। মানসবাবু বলেন, মাস্টার প্ল্যানের কাজের জন্য একটি অফিসের দরকার ছিল। সেই জন্য মহকুমা সেচদপ্তর ও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য একটি বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছে।ঘাটাল-মেচোগ্রাম রাস্তার পাশেই এই নতুন অফিসটি। যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই ভালো। সেচদপ্তরের ইঞ্জনিয়ার বলেন, আমাদের অফিস শিফ্টিংয়ের কাজ প্রায় শেষের দিকে। এ সপ্তাহের মধ্যেই নতুন অফিস থেকে কাজ পরিচালনা করা হবে।-নিজস্ব চিত্র