Bartaman Logo
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

রাজ্যে নয়া শিল্পনীতি শীঘ্রই: মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বিনিয়োগ টানতে নয়া শিল্পনীতি চালু করবে বিজেপি সরকার। ক্ষমতায় এসেই এই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

রাজ্যে নয়া শিল্পনীতি শীঘ্রই: মুখ্যমন্ত্রী
  • ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বিনিয়োগ টানতে নয়া শিল্পনীতি চালু করবে বিজেপি সরকার। ক্ষমতায় এসেই এই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রথমে ঠিক ছিল ১৫ আগস্টের আগেই নয়া নীতি ঘোষণার কথা ছিল রাজ্য সরকারের। কিন্তু, তা সম্ভব হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই শিল্পমহলের মধ্যে প্রশ্ন জাগতে শুরু করে, কবে নয়া শিল্পনীতি প্রকাশ করবে রাজ্য। বুধবার মিলন মেলায় শিল্পের জন্য জমি হস্তান্তর সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে দিলেন, ‘আমরা পুজোর আগেই শিল্পনীতি ঘোষণা করব।’ সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে এই শিল্পনীতি তৈরির জন্য একাধিকবার বৈঠকে বিশেষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীগোষ্ঠী। কাজও এগিয়েছে অনেক দূর। ফলে দুর্গাপুজোর আগে এই নীতি ঘোষণা করতে নবান্নের আর কোনো সমস্যা হবে না। এদিনের অনুষ্ঠানে বাম ও তৃণমূল সরকারের শিল্পনীতির সমালোচনা শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। তিনি বলেন, ‘বিধানচন্দ্র রায় রাজ্যে শিল্প ও নগরায়ণের কাজ করেছিলেন। কিন্তু সিপিএম সব কিছু ধ্বংস করেছে। তারপর এলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমেই বলে দিলেন আমি জমি দেব না, আপনারা খুঁজে নিন। এটা কোন‌ো জমিনীতি হতে পারে না। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তাঁর দল খুব নেগেটিভ ছিল শিল্পায়নের বিষয়ে।’ বক্তৃতায় উঠে এসেছে সিঙ্গুর প্রসঙ্গও। মমতার ‘নেগেটিভ রাজনীতির’ কারণেই সিঙ্গুর থেকে টাটারা চলে গিয়েছে বলে দাবিসহ তিনি বলেন, ‘ আমরা কোন‌ো কৃষক বা জমির মালিকের উপর পুলিশি নির্যাতন করব না। শিল্পায়নের জন্য সরাসরি জমি কিনছি। ডবল ইঞ্জিনের সরকার চলছে।’  রাজ্যকে ‘তোলাবাজিমুক্ত’ করতে তাঁর সরকার নির্দিষ্ট টোল ফ্রি নম্বর চালু করেছে বলেও জানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘৯ মের পর রাজ্যে তোলাবাজি নেই। যদি কোথাও কেউ কোন‌ো শিল্পপতিকে হুমকি, তোলাবাজি করতে আসে তাহলে এই নম্বরে জানান, সরকার তখন সরকারের কাজ করবে।’ আগের সরকারের তুলে দেওয়া ইনসেনটিভ স্কিম ফিরিয়ে আনতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল তৈরি হচ্ছে বলেও তিনি জানান। সম্প্রতি মুম্বই গিয়ে আম্বানিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ‘অম্বানিরা পাঁচ থেকে ছয়টি সেক্টরে কাজ করতে চান, আগামী সপ্তাহে তাঁদের দল রাজ্যে আসবে।’ এদিন  মিলন মেলা প্রাঙ্গণে ৩৩টি শিল্প ইউনিটের হাতে জমির বরাদ্দ পত্র তুলে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে প্রায় ৬০,০০০ কোটিরও বেশি প্রস্তাবিত বিনিয়োগের মাধ্যমে ৬২,০০০-এরও বেশি কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হবে। আজ বৃহস্পতিবার কলকাতায় গৌতম আদানি ২০০০ বেডের একটি হাসপাতালের শিলান্যাস করবেন বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ