কাঠমান্ডু: কূটনৈতিক চাপে পড়ে একদিনেই সিদ্ধান্ত বদল করল নেপাল। হড়পা বানের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ভিনদেশি উদ্ধারকারী দলের সাহায্য নিতে রাজি হল বালেন্দ্র প্রশাসন। সূত্রের খবর, সুড়ঙ্গে উদ্ধারকাজ চালানো এবং ডিএনএ-ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য সাহায্য চাওয়া হয়েছে। শুক্রবার এবিষয়ে এক সরকারি আধিকারিক বলেন, ‘হড়পা বানের জেরে বহু দেশের মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। কূটনৈতিক স্তরে চাপ বাড়ছিল। একাধিক দেশ উদ্ধারকারী দল পাঠাতে চাইছে। তাই আমরা খুব সীমিত ক্ষেত্রে সাহায্য নিতে রাজি হয়েছি।’ সরকারি সূত্রে খবর, ভারত, চীন, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াকে গ্রিন সিগনাল দিয়েছে বালেন্দ্র মন্ত্রিসভার কমিটি। রাসুয়া ও নুয়ানকোটে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সুড়ঙ্গে উদ্ধারকাজ চালাবে এই চার দেশ। এবিষয়ে নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল বলেন, ‘তিনটি ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছি। আপাতত সেখানেই সাহায্য নেওয়া হবে।’ তবে বেশ কয়েকটি দেশ অভিযোগ করেছে যে সাহায্যের প্রস্তাব দেওয়া সত্ত্বেও নেপাল সরকার কর্ণপাত করেনি। কাঠমাণ্ডুতে অবস্থিত একটি দেশের দূতাবাস জানিয়েছে, ‘তিনদিন হয়ে গেল। এখনও আমাদের দেশের নিখোঁজ নাগরিকদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছি। সেটা কেউ শুনছেই না।’ শুক্রবার নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানালের সঙ্গে কথা বলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি জানান, ত্রাণসামগ্রী পাঠানোর পাশাপাশি চিকিৎসক ও উদ্ধারকারীদের ১১ জনের টিমও নেপাল যাচ্ছে। একইসঙ্গে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। বুধবার নেপাল প্রশাসন জানিয়েছিল, তাদের এজেন্সিগুলি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে। তাই এই মুহূর্তে কোনো সাহায্য লাগবে না। তবে চাপের মুখে পড়ে মাত্র একদিনেই সেই সিদ্ধান্ত বদল করতে বাধ্য হল কাঠমাণ্ডু।



