Bartaman Logo
২৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

হাসপাতালে উপচে পড়ছে মৃতদেহ, চালু অস্থায়ী মর্গ, চিহ্নিতকরণে কিউআর কোড ব্যবস্থা

বিধ্বংসী হড়পা বানের পর কেটে গিয়েছে তিনদিন। ফের বিপদের আশঙ্কা মাথায় নিয়েই নেপালে চলছে উদ্ধারকাজ। ঠিক কতজন নিখোঁজ, তার ছবিটা এখনও স্পষ্ট নয়।

হাসপাতালে উপচে পড়ছে মৃতদেহ, চালু অস্থায়ী মর্গ, চিহ্নিতকরণে কিউআর কোড ব্যবস্থা
  • ২৯ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

কাঠমাণ্ডু: বিধ্বংসী হড়পা বানের পর কেটে গিয়েছে তিনদিন। ফের বিপদের আশঙ্কা মাথায় নিয়েই নেপালে চলছে উদ্ধারকাজ। ঠিক কতজন নিখোঁজ, তার ছবিটা এখনও স্পষ্ট নয়। থকথকে কাদা, বাড়ির ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হচ্ছে একের পর এক দেহ। পরিস্থিতি এমনই যে নেপালের একাধিক জেলার হাসপাতালের মর্গে দেহ রাখার আর জায়গাই নেই। রাসুয়া ও নুয়াকোট থেকে বহু দেহ জল-কাদায় ভেসে নীচের দিকে চিতওয়ান, তানাহুন, গোর্খা ও নাওয়ালপারাসি এলাকায় এসে আটকে যাচ্ছে। পরিস্থিতি সামলাতে  দেহ সংরক্ষণের অস্থায়ী  ব্যবস্থা চালু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। নুয়াকোট, ধাদিং, নাওয়ালপারাসির হাসপাতালে আর জায়গা না থাকায় পোখরা সহ আশপাশের জেলাগুলির মর্গে দেহ পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পোখরার হাসপাতালগুলিতেও মৃতদেহ রাখার ধারণক্ষমতা কার্যত শেষ সীমায়। চিতওয়ানে অব্যবহৃত বাড়িগুলিকে অস্থায়ী মর্গ হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

Advertisement

পোখরায় দেহ সংরক্ষণের জন্য এয়ার কন্ডিশনার এবং ড্রাই আইসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে তার বেশি সময়ের জন্য দেহ সংরক্ষণের ব্যবস্থা পোখরায় নেই। বিপর্যস্ত জেলাগুলি থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় একশো দেহ পোখরায় পাঠানো হয়েছে। একের পর এক ময়নাতদন্ত করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। মৃতদের বেশিরভাগের পরিচয় জানা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ছবি তোলার সঙ্গেই আঙুলের ছাপ ও  ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করে রাখছে নেপাল পুলিশ। দ্রুত চিহ্নিতকরণের জন্য শারীরিক বিবরণ ও ছবি দিয়ে  কিআর কোড ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। সেই কিউআর কোড স্ক্যান করে নিখোঁজদের সন্ধান করতে পারবেন পরিজন। যে সব দেহের কোনো দাবিদার নেই, সেগুলির অন্ত্যেষ্টির জন্য জায়গা খোঁজা শুরু হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ