সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: শনিবার সন্ধ্যায় নবদ্বীপের পথে আলোকসজ্জায় সজ্জিত করে বাদ্যযন্ত্র সহকারে ১৯০টি বারোয়ারির প্রতিমার আড়ং হয়। বৈষ্ণবতীর্থে রাস উৎসবের প্রতিমার শোভাযাত্রা চলল রবিবার সকাল পর্যন্ত, যা নিয়ে পুলিসি নজরদারি কম থাকার অভিযোগ তুলছেন অনেকে। অন্যদিকে রবিবার সকাল থেকে নবদ্বীপ ফাঁসিতলা গঙ্গায় ও পীরতলা খালে কঠোর পুলিসি নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন শুরু হয়। প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত চলে এই বিসর্জন পর্ব। শুধু পুরসভা পরিচালিত এই দু’টি বিসর্জন ঘাটই নয়। নবদ্বীপের বিভিন্ন জলাশয়েও বাকি অনেক প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। প্রতিমাগুলি আড়ং-এ বেরিয়ে মূলত পোড়ামাতলা, ঢপওয়ালির মোড়, রাধাবাজার, দণ্ডপানিতলা মোড়, চারিচারা বাজার, মঙ্গলচণ্ডীতলা, নবদ্বীপ কোর্টের সামনে হয়ে সরকারপাড়া, অফিসঘাট রোড, মালঞ্চপাড়ার গাবতলার মোড় হয়ে বুড়োশিবতলা রোড, হরিসভাপাড়া হয়ে পোড়ামাতলায় আসে। এছাড়াও বিভিন্ন অলিগলি থেকে প্রতিমাগুলি বের হয়ে ওই সার্কুলার রোডে যাওয়ার চেষ্টা করে। এক-একটি প্রতিমা এক-একটি জায়গায় দেড় থেকে ২ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকে। যেসব প্রতিমাগুলির মধ্যে বেশকিছু বারোয়ারি কর্মকর্তারা দীর্ঘ সময় শোভাযাত্রা সার্কুলার রোডে দাঁড় করিয়ে রাখছিলেন, সেগুলির ক্ষেত্রে পুলিসের তৎপরতা তেমন একটা চোখে পড়েনি।
Advertisement
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিমার শোভাযাত্রার সার্কুলার একএকটি প্রতিমার সঙ্গে যেমন বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র ছিল, তেমনই ছিল জেনারেটর এবং পুজো কমিটির সদস্যরাও। সবমিলিয়ে প্রতিটি প্রতিমা শোভাযাত্রায় অনেকটা জায়গা নিয়ে নেয়। বেগুনিয়াপাড়ার গঙ্গামাতা পুজো কমিটির সম্পাদক বাসুদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, পুলিসের ভূমিকা ঠিক ছিল না। যদি দীর্ঘ সময় একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে প্রতিমাগুলি, তাহলে কেন দর্শনার্থীরা থাকবেন। রাত সাড়ে ১২টার পর থেকে প্রতিমা দর্শন করার জন্য লোকজন ছিল না। যদি শোভাযাত্রার রাস্তা বাড়ানো বা উত্তর ও দক্ষিণে দু’দিনে যদি শোভাযাত্রা করা হয়, তবেই এই সমস্যা মিটবে।
নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমান কৃষ্ণ সাহা বলেন, আগামী দিন রোড এক্সটেনশন করার ভাবনা রয়েছে। যদি সেটা কোনওমতে করা সম্ভব হয় তাহলে আগামী দিন এই সমস্যা হবে না। যে সমস্ত বারোয়ারি এবছর শোভাযাত্রায় সহায়তা করেনি, গণ্ডগোল করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। পুরসভার পক্ষ থেকে দু’টি জায়গায় ক্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিমা নিরঞ্জনের সঙ্গে সঙ্গে ক্রেন দিয়ে জল থেকে সেই প্রতিমার কাঠামো তুলে ফেলা হচ্ছে। পুরসভার পক্ষ থেকে ঘাটগুলিতে পর্যাপ্ত লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আজ, সোমবার ১৮টি প্রতিমাকে নিয়ে পুরসভা পরিচালিত কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে।
নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমান কৃষ্ণ সাহা বলেন, আগামী দিন রোড এক্সটেনশন করার ভাবনা রয়েছে। যদি সেটা কোনওমতে করা সম্ভব হয় তাহলে আগামী দিন এই সমস্যা হবে না। যে সমস্ত বারোয়ারি এবছর শোভাযাত্রায় সহায়তা করেনি, গণ্ডগোল করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। পুরসভার পক্ষ থেকে দু’টি জায়গায় ক্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিমা নিরঞ্জনের সঙ্গে সঙ্গে ক্রেন দিয়ে জল থেকে সেই প্রতিমার কাঠামো তুলে ফেলা হচ্ছে। পুরসভার পক্ষ থেকে ঘাটগুলিতে পর্যাপ্ত লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আজ, সোমবার ১৮টি প্রতিমাকে নিয়ে পুরসভা পরিচালিত কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে।



