সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: নবদ্বীপে ট্রান্সফরমারের ফিডার লাইনের সংস্পর্শে এসে আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেল রাসের ঐতিহ্যবাহী প্রতিমা। শনিবার রাতে তন্ত্রসাধক ভৃগুরাম প্রতিষ্ঠিত ৩০০বছরের বেশি প্রাচীন তেঘরীপাড়ার বড় শ্যামামাতা প্রতিমা নিয়ে শোভাযাত্রার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। পুজো কমিটির কর্মকর্তারা জানান, দেয়ারাপাড়া রোডের কাছে নবদ্বীপ বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে এই অগ্নিকাণ্ডে প্রতিমার বেশ কয়েক ভরি সোনার বহুমূল্য অলঙ্কারের ক্ষতি হয়েছে।
Advertisement
প্রতিমা পুড়ে যাওয়ায় ওই এলাকার বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তাঁরা ওই প্রতিমা রাস্তায় রেখে প্রতিবাদও জানান। পুজো উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, ওই এলাকায় গাছ কাটা হয়নি। বিদ্যুৎ-সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়নি। নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা বলেন, পুরসভার তরফে টেন্ডার করে গাছ কাটানো হয়েছে। প্রায় চারশো বড় প্রতিমা রাসে বের করা হয়। এক্ষেত্রে পুজো কমিটির লোকজনের অসতর্কতার জন্য এঘটনা ঘটেছে।
শনিবার তেঘরীপাড়ার বড় শ্যামামাতার প্রতিমা আড়ংয়ে বের হয়। পথে ডানদিকে বালিকা বিদ্যালয়ের গাছ ছিল। তার উল্টোদিকেই ছিল বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার। গাছের ডালে আটকে যাওয়া রুখতে প্রতিমা একপাশে সরানোর চেষ্টা চলছিল। সেসময় প্রতিমার চালার একাংশ ট্রান্সফরমারের ফিডারে লেগে আগুন ধরে যায়। শ্রীশ্রী বড় শ্যামামাতা ট্রাস্টের ম্যানেজিং ট্রাস্টি তথা নবদ্বীপ কেন্দ্রীয় রাস উৎসব কমিটির কোষাধ্যক্ষ লক্ষ্মীনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, সন্ধ্যা ৭টায় আমরা মণ্ডপ থেকে প্রতিমা বের করেছিলাম। নবদ্বীপ বালিকা বিদ্যালয়ের উল্টোদিকে ট্রান্সফরমারের ফিডার লাইন। তাতে প্রতিমার চালার একটু ছোঁয়া লাগতেই আগুন ধরে পুরো মূর্তি ভস্মীভূত হয়ে যায়। আমাদের প্রতিমার গায়ে সোনারুপো মিলিয়ে বহু মূল্যবান অলংকার ছিল। আগুনে সবই গলে গিয়েছে। আমরা এখনও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হিসেব করে উঠতে পারিনি। বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্য এঘটনা ঘটেছে। রাসের আড়ংয়ের সময় বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা দরকার ছিল।
বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, দায়িত্বজ্ঞানহীনতার প্রশ্ন নয়। প্রতিমা তো সোজা রাস্তা দিয়ে যাওয়ার কথা। তাই ট্রান্সফরমারের লাইনের ওই অংশ বন্ধ করাই ছিল। ওখানে একটা বড় গাছ রয়েছে। সম্ভবত সেটা এড়াতে গিয়ে ওদের প্রতিমা অন্যধারে চলে যায়। সেখানে ফিডার লাইনের সংস্পর্শে আসে। সতর্কভাবে সোজা রাস্তা দিয়ে প্রতিমা নিয়ে গেলে আগুন লাগত না। একসময় রাসে নবদ্বীপের সমস্ত বিদ্যুৎ-সংযোগ বন্ধ করা হতো। এখন আমরা চেষ্টা করি, যাতে সাধারণ গৃহস্থের বাড়িতে বিদ্যুৎ-সংযোগ থাকে।
নবদ্বীপ কেন্দ্রীয় রাস উৎসব কমিটির সম্পাদক সুব্রত পাল বলেন, এটা একটা মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। নবদ্বীপের বড় শ্যামা রাসের আবেগ। কার গাফিলতিতে এই ঘটনা ঘটল-তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শনিবার তেঘরীপাড়ার বড় শ্যামামাতার প্রতিমা আড়ংয়ে বের হয়। পথে ডানদিকে বালিকা বিদ্যালয়ের গাছ ছিল। তার উল্টোদিকেই ছিল বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার। গাছের ডালে আটকে যাওয়া রুখতে প্রতিমা একপাশে সরানোর চেষ্টা চলছিল। সেসময় প্রতিমার চালার একাংশ ট্রান্সফরমারের ফিডারে লেগে আগুন ধরে যায়। শ্রীশ্রী বড় শ্যামামাতা ট্রাস্টের ম্যানেজিং ট্রাস্টি তথা নবদ্বীপ কেন্দ্রীয় রাস উৎসব কমিটির কোষাধ্যক্ষ লক্ষ্মীনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, সন্ধ্যা ৭টায় আমরা মণ্ডপ থেকে প্রতিমা বের করেছিলাম। নবদ্বীপ বালিকা বিদ্যালয়ের উল্টোদিকে ট্রান্সফরমারের ফিডার লাইন। তাতে প্রতিমার চালার একটু ছোঁয়া লাগতেই আগুন ধরে পুরো মূর্তি ভস্মীভূত হয়ে যায়। আমাদের প্রতিমার গায়ে সোনারুপো মিলিয়ে বহু মূল্যবান অলংকার ছিল। আগুনে সবই গলে গিয়েছে। আমরা এখনও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হিসেব করে উঠতে পারিনি। বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্য এঘটনা ঘটেছে। রাসের আড়ংয়ের সময় বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা দরকার ছিল।
বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, দায়িত্বজ্ঞানহীনতার প্রশ্ন নয়। প্রতিমা তো সোজা রাস্তা দিয়ে যাওয়ার কথা। তাই ট্রান্সফরমারের লাইনের ওই অংশ বন্ধ করাই ছিল। ওখানে একটা বড় গাছ রয়েছে। সম্ভবত সেটা এড়াতে গিয়ে ওদের প্রতিমা অন্যধারে চলে যায়। সেখানে ফিডার লাইনের সংস্পর্শে আসে। সতর্কভাবে সোজা রাস্তা দিয়ে প্রতিমা নিয়ে গেলে আগুন লাগত না। একসময় রাসে নবদ্বীপের সমস্ত বিদ্যুৎ-সংযোগ বন্ধ করা হতো। এখন আমরা চেষ্টা করি, যাতে সাধারণ গৃহস্থের বাড়িতে বিদ্যুৎ-সংযোগ থাকে।



