Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নববর্ষে রেল এলাকা সাফাইয়ে উদ্যোগী খড়্গপুর পুরসভা

নববর্ষে রেল এলাকা সাফাইয়ে উদ্যোগী খড়্গপুর পুরসভা
  • ১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: নতুন বছর থেকে রেল এলাকা সাফাইয়ে জোর দিচ্ছে খড়্গপুর পুরসভা। এবার থেকে প্রতি রবিবার রেল এলাকা সাফাই করা হবে। অভিযোগ, রেল কর্তৃপক্ষ ওই এলাকা ঠিকমতো সাফাই করে না। সেখানকার নর্দমা আবর্জনায় ভরেছে। পুরো এলাকা ঝোপঝাড়ে ভরে গিয়েছে। মশার উৎপাত বাড়ছে। পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, রেল তো কিছু করে না। তাই আমাদেরই উদ্যোগী হতে হল। রবিবার পরীক্ষামূলকভাবে একবার সাফাই হয়েছে। নতুন বছরে প্রতি রবিবার হবে।
Advertisement
রেল এলাকায় আটটি ওয়ার্ড আছে। সেখানে কাউন্সিলারদের প্রতিদিন সাফাইয়ের জন্য তিনজন করে শ্রমিক দেওয়া আছে। এর বাইরে আটটি ওয়ার্ডে প্রতি রবিবার ট্রাক্টর ও আর্থমুভার পাঠিয়ে সাফাই করা হবে। নালা সাফাই, আবর্জনা সরানোর পাশাপাশি এলাকার ঝোপঝাড়ও কাটা হবে। এই কাজ হলে নিমপুরা, নিউ সেটেলমেন্ট, ওল্ড সেটেলমেন্ট, ডেভলপমেন্ট, ট্রাফিক, বাংলো সাইড সহ রেল এলাকায় আর আবর্জনা জমে থাকবে না। নিকাশি ব্যবস্থারও উন্নতি হবে। আবর্জনা জমানোর জন্য প্রতি ওয়ার্ডে ছ’টি করে ডাস্টবিন দেওয়া হবে। সেই ডাস্টবিনের আবর্জনা রবিবার সাফাই করা হবে। এছাড়া, আটটি ওয়ার্ডে আটটি মিনি মাস্ট লাইট লাগানো হবে। কাউন্সিলারদের সেই বাতি বসানোর জায়গা ঠিক করতে বলা হয়েছে।
রেল এলাকার বিজেপি কাউন্সিলার অনুশ্রী বেহেরা বলেন, এটা ভালো উদ্যোগ। কিন্তু রেল এলাকায় গলির সংখ্যা অনেক বেশি। বিশেষত বস্তি এলাকায় রেল সাফাইয়ের কাজ করে না। এসব জায়গায় আর্থমুভার ঢুকবে না। তাই শ্রমিকের সংখ্যা বাড়ালে ভালো হবে। শ্রমিকরা এসব জায়গায় ঢুকে আবর্জনা সাফাই করতে পারবেন।রেল এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলার পূজা নাইডু বলেন, ট্রাক্টর ও আর্থমুভার দেওয়া হবে ভালো কথা। কিন্তু গলির জন্য আরও শ্রমিক দিতে হবে। রেল এলাকার কংগ্রেস কাউন্সিলার মধু কামি বলেন, আগে একবার আমার এলাকায় ট্রাক্টর দেওয়া হয়েছিল। তারপর আর আসেনি। নিয়ম করে প্রতি রবিবার যদি সমস্ত ওয়ার্ডে এই কাজ হয়-তাহলে ভালো হবে। এলাকা পরিষ্কার রাখা যাবে।
সম্পর্কিত সংবাদ