Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

চার বছর ধরে ফার্স্ট সেমেস্টারে পড়া তৃণমলের ছাত্র নেতাই অস্থায়ী কর্মী, নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজ, গভর্নিং বডির মিটিং ডেকে নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত

নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজের টিএমসিপির ইউনিট সভাপতি সুমিত মণ্ডল চার বছর ধরে ফার্স্ট সেমেস্টারে পড়ছেন। গভর্নিং বডির সভাপতির অনুপস্থিতিতে প্রিন্সিপালকে চাপ দিয়ে নিয়োগপত্র জোগাড় করে কলেজের অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন বলে অভিযোগ।

চার বছর ধরে ফার্স্ট সেমেস্টারে পড়া তৃণমলের ছাত্র নেতাই অস্থায়ী কর্মী, নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজ, গভর্নিং বডির মিটিং ডেকে নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত
  • ৬ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজের টিএমসিপির ইউনিট সভাপতি সুমিত মণ্ডল চার বছর ধরে ফার্স্ট সেমেস্টারে পড়ছেন। গভর্নিং বডির সভাপতির অনুপস্থিতিতে প্রিন্সিপালকে চাপ দিয়ে নিয়োগপত্র জোগাড় করে কলেজের অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন বলে অভিযোগ। কসবা ল’কলেজের ঘটনার পরই নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজের ওই তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতাকে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। এই অবস্থায় তাঁর নিয়োগ বাতিল করার লক্ষ্যে গভর্নিং বডির মিটিং ডাকা হচ্ছে। সেখানে রেজ্যুলিউশন করে তাঁর নিয়োগপত্র বাতিল করা হবে বলে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি আবু তাহের খান জানিয়েছেন। এই ঘটনায় কলেজে হইচই পড়ে গিয়েছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ২০২১সালে নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজে প্রথম আসেন সুমিত মণ্ডল। তিনি কলেজের টিএমসিপি ইউনিটের প্রেসিডেন্ট হন। যদিও তাঁকে মানতে নারাজ ওই ছাত্র সংগঠনের একটা বড় অংশ। এই কলেজে টিএমসিপির তিনটি গোষ্ঠী। কয়েকদিন আগে টিএমসিপি সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্ব কলেজের তিন গোষ্ঠীর নেতাদের কোলাঘাটে ডেকে বৈঠকে বসে। সেখানে নিজেদের মধ্যে খেয়োখেয়ি বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ছাত্রনেতা সুমিত বলেন, একজন গরিব বাড়ির ছেলে হিসেবে কলেজ কর্তৃপক্ষ আমার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য কাজের বন্দোবস্ত করেছে। তাই ছাত্র হলেও আমি কলেজে কর্মী হিসেবে কাজ করছি। আমি কখনও কারও কোনও সমস্যা করিনি।
গভর্নিং বডির সভাপতি বলেন, নন্দীগ্রামে একটি রাজনৈতিক খুনের ঘটনায় আমার বিরুদ্ধে মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশে প্রায় দু’বছর জেলার বা‌ই঩রে ছিলাম। সেইসময় আমার অনুপস্থিতিতে সুমিত মণ্ডল এবং আরও একজন প্রিন্সিপালকে চাপ দিয়ে অস্থায়ী কর্মীর নিয়োগপত্র জোগাড় করেছে বলে জানতে পারি। দু’জনের মধ্যে সুমিত কলেজে পড়াশোনা করছে। অন্যজন পড়াশোনা না করে কলেজের কাজ করছে। আমরা ঠিক করেছি, ১৫জুলাইয়ের মধ্যে গভর্নিং বডির মিটিং ডেকে ওই ছাত্রনেতার নিয়োগ বাতিল করা হবে। কারণ, একজন কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করতে পারে না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ