Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আলুর কালোবাজারি ঠেকাতে তৎপর নবান্ন, কৃষকদের স্বার্থরক্ষাতেও গুরুত্ব

আলুর কালোবাজারি ঠেকাতে তৎপর হল নবান্ন। আগামী দিনে মানুষ যাতে ন্যায্য মূল্যে আলু কিনতে পারে, সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।

আলুর কালোবাজারি ঠেকাতে তৎপর নবান্ন, কৃষকদের স্বার্থরক্ষাতেও গুরুত্ব
  • ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আলুর কালোবাজারি ঠেকাতে তৎপর হল নবান্ন। আগামী দিনে মানুষ যাতে ন্যায্য মূল্যে আলু কিনতে পারে, সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, কৃষকদের যাতে আর্থিক ক্ষতি না হয়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ করা হচ্ছে। 

Advertisement

সূত্রের খবর, গত বছরের মতো এবারও রাজ্যের হিমঘরগুলিতে ছোটো ও প্রান্তিক চাষিরা তাঁদের উৎপাদিত আলু যাতে হিমঘরের ৩০ শতাংশে রাখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গত বছর ১৪৬ লক্ষ মেট্রিক টন আলু উৎপাদন হয়েছিল রাজ্যে। তা সত্ত্বেও আলুর দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় একাধিক কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছিল রাজ্যের তরফে। এবার আর অকারণে আলুর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ দিতে চাইছে না রাজ্য। তাই এখন থেকেই এনিয়ে তৎপর হচ্ছে রাজ্য সরকার। শুক্রবারও এ বিষয়ে একটি বৈঠক হয়েছে নবান্নে। এ বছরও আলুর ফলন ভালো হবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। ফড়েদের হাত থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে ছোটো ও প্রান্তিক চাষিরা যাতে সরাসরি তাঁদের উৎপাদিত ফসল হিমঘরে রাখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করছে রাজ্য। এবছরও একজন কৃষক সর্বাধিক ৩৫ কুইন্টাল বা ৭০ বস্তা আলু রাখতে পারবেন হিমঘরে। সম্পূর্ণ বিষয়টি দেখভালের দায়িত্বে থাকছে জেলাশাসকদের উপর। এবারও কৃষি বিপণন দপ্তরের তরফে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। 
কেন এই পদক্ষেপ? প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ভালো ফলন হলে ফড়েরা চাষির থেকে কম দামে প্রচুর পরিমাণে আলু কিনে নেয়। কৃষকদের পর্যাপ্ত আলু মজুতের ব্যবস্থা না থাকায় তাঁরা কম দামে বিক্রিতে বাধ্য হয়। পরবর্তীকালে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে চড়া দামে আলু ছাড়ে ফড়েরা। রাজ্যের উদ্যোগে এই সমস্যা এড়ানো যাবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

সম্পর্কিত সংবাদ