সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: চিকিৎসা করাতে আসা রোগী ও তাঁদের পরিবারের সুবিধার্থে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালের নতুন ভবনের সামনে বছরখানেক আগে একটি প্রতীক্ষালয় তৈরি করা হয়। কিন্তু প্রতীক্ষালয়টির মাথার উপর শেড থাকলেও চারিদিক সম্পূর্ণ খোলা। ফলে ঝড়-বৃষ্টি, এমনকি শীতে ঠান্ডা হাওয়ার জন্য সন্ধ্যার পর থেকে সেখানে থাকতে সমস্যায় পড়ছেন রোগীর আত্মীয়-পরিজনরা। শুধু তাই নয়, প্রতীক্ষালয়টির চারিদিক খোলা থাকায় কুকুর, বিড়াল, গোরু, ছাগল ভিতরে অবাধে ঘুরে বেড়ায়। যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ করে হাসপাতালের পরিবেশ নষ্ট করছে। রোগী ও তাঁদের পরিবারের দাবি, অবিলম্বে প্রতীক্ষালয়ের চারিদিক ঘিরে দেওয়ার ব্যবস্থা করুক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যাতে ঠান্ডায় হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা রোগীর আত্মীয়-পরিজনদের প্রতীক্ষালয়ে রাত্রিযাপন করতে কোনও অসুবিধা না হয়। এপ্রসঙ্গে হাসপাতালের সুপার অনঘ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহার নিজস্ব উদ্যোগে শেডযুক্ত প্রতীক্ষালয়টি তৈরি হয়। এটি অনেক বড় প্রজেক্ট। এর পাশেই পুরসভার উদ্যোগে বায়ো-টয়লেট তৈরি করা হচ্ছে। এত বড় প্রতীক্ষালয়টির চারিদিক ঘিরতে পুরসভার চেয়ারম্যান এবং বিধায়কের সাহায্য পাওয়া গেলে ভালো হয়। স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফেও এব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। দেখা যাক কী হয়। উল্লেখ্য, নবনির্মিত হাসপাতালের নতুন ভবনটি চালু হলেও সেখানে কোনও প্রতীক্ষালয় ছিল না। ফলে রোগী ও তাঁদের পরিবারকে প্রতিদিন হয়রানির সম্মুখীন হতে হচ্ছিল। পুরসভার চেয়ারম্যানের উদ্যোগে এই প্রতীক্ষালয় তৈরি হয়েছে। পরবর্তীতে পিডব্লুডি প্রতীক্ষালয়ের পাশে শৌচাগার তৈরি করে দিয়েছে। পাশাপাশি, পুরসভার তরফে প্রতীক্ষালয়ের পাশে ফের বায়ো-টয়লেট তৈরির কাজ চলছে। হাসপাতালের নতুন বিল্ডিংয়ে বেশকিছু চিকিৎসা পরিষেবা চালু হলেও সেখানে কোনও প্রতীক্ষালয় কিংবা শৌচাগার ছিল না। শেড বা প্রতীক্ষালয় না থাকায় রোগীর পরিজনদের রাতে খোলা আকাশের নীচে থাকতে হত। এমনকি, প্রয়োজনে তাঁদের প্রায় ৩০০মিটার দূরে পুরাতন ভবনে শৌচকর্ম বা রাত্রিযাপনের জন্য যেতে হত। পরবর্তীকালে নতুন ভবনের সামনে প্রতীক্ষালয়টি তৈরি হয়েছে।



