Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ: হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ

মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে শুক্রবার স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ: হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ
  • ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে শুক্রবার স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে বিধায়ক পদ বজায় রাখার চেষ্টায় মুকুল রায়ের পুত্র শুভ্রাংশুর আবেদন গ্রহণ করল দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ। কেন আপনি মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের পক্ষে, লিখিতভাবে তা জানাতে পশ্চিমবঙ্গ ঩বিধানসভার বিরোধী দলনেতার কাছে জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে তাঁকে জবাব দিতে হবে। অন্য বিবাদী অম্বিকা রায়কেও ওই সময়ের মধ্যে জবাব দিতে হবে। ১৮ মার্চ পরবর্তী শুনানি।

Advertisement

কলকাতা হাইকোর্ট তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের নির্দেশ দেওয়ায় তা বাতিলের  চেষ্টায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছেন মুকুল রায়ের পুত্র শুভ্রাংশু। বিজেপির টিকিটে ২০২১ সালে কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে জিতলেও বিধায়ক মুকুল রায়কে তৃণমূলের সাংবাদিক সম্মেলনে দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ। ওই মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ছবি, ভিডিও রয়েছে। তাই মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল বিধানসভায়। কলকাতা হাইকোর্ট গত বছর ১৩ নভেম্বর তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের রায় শোনায়। সেটিকে চ্যালেঞ্জ করেই দেশের শীর্ষ আদালতে এসেছেন মুকুল-পুত্র। তাঁর আ‌ইনজীবী প্রীতিকা দ্বিবেদী এদিন বলেন, মুকুল রায় অত্যন্ত অসুস্থ। তাই তাঁর পুত্র মামলাটি করেছেন। হাইকোর্ট যেসব তথ্যের ভিত্তিতে বিধায়ক পদ খারিজের নির্দেশ দিয়েছে, তা সঠিক নয়। এভাবে বিধায়ক পদ চলে গেলে জনপ্রতিনিধি হিসেবে যাবতীয় সুবিধা থেকে তিনি বঞ্চিত হবেন। পালটা সওয়ালে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতার আইনজীবী গৌরব আগরওয়াল বলেন, বিজেপির টিকিটে জিতেছেন। অথচ তৃণমূলের অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে। তার ভিডিও ফুটেজও আছে।

যা শুনে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, এটা তো আপনার অভিযোগ।  এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স) যুগ। তাই ওই ভিডিওটি আসল নাকি কৃত্রিম সেটা তো পরীক্ষা করতে হবে। কার ছবি, কার সঙ্গে জুড়ে কী না করে দেওয়া হচ্ছে আজকাল। ফলে ওই ভিডিও ফুটেজই প্রমাণ করে না যে, দলত্যাগ বিরোধী কাজকর্ম করেছেন মুকুল রায়। ফলে জবাবদিহির নোটিস ইস্যু করা হচ্ছে। মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আপাতত হাইকোর্টের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ জারি করা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ