নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: জল সংকট অব্যাহত শিল্পাঞ্চলে। পুরসভার পাশাপাশি ইস্কোর চাহিদা মতো জল দিতে ব্যর্থ হচ্ছে ডিভিসি। যা নিয়ে নতুন আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে। ৩৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগে বিশাল সম্প্রসারণ হতে চলেছে ইস্কো কারখানার। স্টিল উৎপাদন দ্বিগুণের বেশি হবে। অতিরিক্ত প্রচুর জল ও বিদ্যুতের প্রয়োজন হবে। এই অবস্থায় পর্যাপ্ত জল ও বিদ্যুতের জন্য ডিভিসির সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করে ইস্কো। কেন্দ্রীয় সংস্থা সেইল ভরসা রেখেছিল আরেক কেন্দ্রীয় অধিনস্ত সংস্থা ডিভিসির উপর। এখন সেই ডিভিসিই পর্যাপ্ত জল দিতে অক্ষম হচ্ছে। পলি পড়ে মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার জল ধারণ ক্ষমতা অনেকটাই হারিয়ে ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে শিল্পাঞ্চলবাসীর আশঙ্কা, ডিভিসির বুজে যাওয়া জলাধারগুলি না বাংলায় বিনিয়োগে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
Advertisement
ইস্কোর জনসংযোগ বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন কারখানার জন্য ডিভিসির সঙ্গে জল ও বিদ্যুত সরবরাহ করার জন্য চুক্তি হয়েছে। এখন যে জলের সংকট রয়েছে তা মেটাতে ডিভিসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
দামোদর ভ্যালি রিজার্ভার রেগুলেশন কমিটির মেম্বার সেক্রেটারি শশী রাকেশ বলেন, ইস্কো আমাদের কাছে প্রায় ৮ হাজার একর ফুট বাড়তি জল দাবি করছে। তা দেওয়া সম্ভব নয়। এখন ১৫০০ একর ফুট বাড়তি জল ছাড়া হচ্ছে। জলাধারের জলস্তর নেমে গেলে তাও ছাড়া সম্ভব হবে না।
চলতি বছরে ডিভিসি-রাজ্য দ্বন্দ্ব এক অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে। অতিরিক্ত জল রাজ্যকে না জানিয়ে ছাড়ার অভিযোগে ডিভিসি থেকে রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিত্ব তুলে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্ষায় অতিরিক্ত জলে বাংলার বন্যা সৃষ্টির পিছনে যেমন ডিভিসির ভূমিকা সামনে এসেছিল তেমনই এবার শিল্পাঞ্চলজুড়ে শুরু হয়েছে জল সংকট। তাতেও অভিযোগ উঠছে ডিভিসির বিরুদ্ধে। আসানসোল পুরসভা আগেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছিল। এবার প্রভাব পড়তে চলেছে শিল্পক্ষেত্রেও। ডিভিসি সূত্রে অবশ্য রাজ্যের জল পাওয়ার কোটা প্রসঙ্গ তোলা হয়েছে। শশী রাকেশ জানিয়েছেন, ডিভিসির থেকে পশ্চিমবঙ্গকে জল দেওয়ার কথা ৪৩৫ এমজিডি। পানীয় জল, শিল্পক্ষেত্র সব মিলিয়ে এই কোটা। আমরা দেখেছি সেই পরিমাণ ছাপিয়ে চলে গিয়েছিল ৪৪৬ এমজিডি। আমরা তা কমাতে শুরু করেছি।
কোটা অনুযায়ী জল দিতে গিয়ে বাংলার শিল্পাঞ্চলে জল সংকট সৃষ্টি হবে না তো। এই প্রসঙ্গ সামনে আসছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বাংলার উপভোক্তাদের বাদ দিয়ে ভাতে মারছে। কেন্দ্রীয় সংস্থা ডিভিসি এবার পানীয় জলের সংকট সৃষ্টি করছে। তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক ভি শিবদাসন দাসু বলেন, অতিরিক্ত জল হলে বাংলায় ছেড়ে দেওয়া হবে। আবার পানীয় জলের প্রয়োজন হলে ও কারখানায় জলের প্রয়োজন হল জল ছাড়া হবে না। এই দ্বিচারিতা বেশিদিন মেনে নেওয়া হবে না।
প্রসঙ্গত, মাস খানেক ধরেই ধীরে ধীরে বেড়েছে এই জল সংকট। নদীর একটি সরু স্রোত বইছে বাঁকুড়া জেলা ঘেসে। পুরসভা থেকে ইস্কো নদীর তলদেশে চ্যানেল কেটেও পর্যাপ্ত জল আনতে ব্যর্থ হচ্ছে।
দামোদর ভ্যালি রিজার্ভার রেগুলেশন কমিটির মেম্বার সেক্রেটারি শশী রাকেশ বলেন, ইস্কো আমাদের কাছে প্রায় ৮ হাজার একর ফুট বাড়তি জল দাবি করছে। তা দেওয়া সম্ভব নয়। এখন ১৫০০ একর ফুট বাড়তি জল ছাড়া হচ্ছে। জলাধারের জলস্তর নেমে গেলে তাও ছাড়া সম্ভব হবে না।
চলতি বছরে ডিভিসি-রাজ্য দ্বন্দ্ব এক অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে। অতিরিক্ত জল রাজ্যকে না জানিয়ে ছাড়ার অভিযোগে ডিভিসি থেকে রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিত্ব তুলে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্ষায় অতিরিক্ত জলে বাংলার বন্যা সৃষ্টির পিছনে যেমন ডিভিসির ভূমিকা সামনে এসেছিল তেমনই এবার শিল্পাঞ্চলজুড়ে শুরু হয়েছে জল সংকট। তাতেও অভিযোগ উঠছে ডিভিসির বিরুদ্ধে। আসানসোল পুরসভা আগেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছিল। এবার প্রভাব পড়তে চলেছে শিল্পক্ষেত্রেও। ডিভিসি সূত্রে অবশ্য রাজ্যের জল পাওয়ার কোটা প্রসঙ্গ তোলা হয়েছে। শশী রাকেশ জানিয়েছেন, ডিভিসির থেকে পশ্চিমবঙ্গকে জল দেওয়ার কথা ৪৩৫ এমজিডি। পানীয় জল, শিল্পক্ষেত্র সব মিলিয়ে এই কোটা। আমরা দেখেছি সেই পরিমাণ ছাপিয়ে চলে গিয়েছিল ৪৪৬ এমজিডি। আমরা তা কমাতে শুরু করেছি।
কোটা অনুযায়ী জল দিতে গিয়ে বাংলার শিল্পাঞ্চলে জল সংকট সৃষ্টি হবে না তো। এই প্রসঙ্গ সামনে আসছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বাংলার উপভোক্তাদের বাদ দিয়ে ভাতে মারছে। কেন্দ্রীয় সংস্থা ডিভিসি এবার পানীয় জলের সংকট সৃষ্টি করছে। তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক ভি শিবদাসন দাসু বলেন, অতিরিক্ত জল হলে বাংলায় ছেড়ে দেওয়া হবে। আবার পানীয় জলের প্রয়োজন হলে ও কারখানায় জলের প্রয়োজন হল জল ছাড়া হবে না। এই দ্বিচারিতা বেশিদিন মেনে নেওয়া হবে না।
প্রসঙ্গত, মাস খানেক ধরেই ধীরে ধীরে বেড়েছে এই জল সংকট। নদীর একটি সরু স্রোত বইছে বাঁকুড়া জেলা ঘেসে। পুরসভা থেকে ইস্কো নদীর তলদেশে চ্যানেল কেটেও পর্যাপ্ত জল আনতে ব্যর্থ হচ্ছে।



