নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: মৃত শিশুর দেহ বদলের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মৃত শিশুর পরিবারের লোকজন হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের দবি, কন্যাসন্তানের মৃতদেহের বদলে এক পুত্রসন্তানের মৃতদেহ দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছিল। তাঁরা প্রতিবাদ করলে হাসপাতালের কর্মীরা তাঁদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। তাঁদের হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা হয়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এক আধিকারিককে শোকজ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের অবশ্য দাবি, হাসপাতালের একটি কাগজে ‘ফিমেলের’ পরিবর্তে ‘মেল’ লেখা হয়। দেহ বদলানোর অভিযোগ ঠিক নয়।
Advertisement
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মাধবডিহির আখিনাগ্রামের বাসিন্দা সুমিত্রা কৈবর্ত্য প্রসবযন্ত্রণা নিয়ে গত ২জানুয়ারি একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিলেন। তিনি শিশুকন্যার জন্ম দেন। শিশুটির শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের পরামর্শে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ৫জানুয়ারি রাতে শিশুটি মারা যায়। পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, তাদের এক মৃত পুত্রসন্তানের দেহ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তাঁরা তা নিতে রাজি হননি। ওই পরিবারের এক আত্মীয় বলেন, সদ্যোজাত মারা যাওয়ায় সবার মানসিক অবস্থা খারাপ ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি থাকা সত্ত্বেও ওরা আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। ওরা পুত্রসন্তানের দেহ দিতে চাওয়ায় আমরা ভেবেছিলাম, আমাদের শিশুটি হয়তো বেঁচে রয়েছে। সবাই আশা দেখেছিল। পরে ভুল ভাঙে। এরকম গাফিলতি ঠিক নয়।
পরিবারের দাবি, সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরই তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা ভালো হয়। সেকারণেই শিশুটিকে নার্সিংহোম থেকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। কিন্তু এখানে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা ভাবা যায়নি। ভুল হওয়ার পর হাসপাতালের কর্মীরা তা মেনে নিলে এতকিছু হতো না। কিন্তু তারা পাল্টা আমাদের উপরই চাপ দিতে থাকে।
এক আধিকারিক বলেন, হাসপাতালে পরিষেবা অনেক উন্নত হয়েছে। কিন্তু একশ্রেণির কর্মীর জন্য বদনাম হচ্ছে। তারা অকারণে রোগীর পরিবারের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছে। তারা তাদের নিজেদের সিদ্ধান্তকেই চূড়ান্ত বলে মনে করে। মৃত শিশুর পরিবারের কথা শুনে তারা ভুল শুধরে নিলে জলঘোলা হতো না।
বর্ধমান মেডিকাল কলেজ হাসপাতালের এমএসভিপি তাপস ঘোষ বলেন, প্রিন্টিং ভুলের জন্য সমস্যা হয়েছিল। রিলিজ কাগজে মেয়ের জায়গায় ছেলে লেখা হয়েছিল। যিনি এই কাজটি করেছেন তাঁকে শোকজ করা হয়েছে। মৃত শিশুর পরিবারকে লিখিত অভিযোগ জমা করার জন্য বলা হয়েছে। তাঁরা তা দিলে বিভাগীয় তদন্ত করা হবে। কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা ঠিক নয়।
পরিবারের দাবি, সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরই তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা ভালো হয়। সেকারণেই শিশুটিকে নার্সিংহোম থেকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। কিন্তু এখানে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা ভাবা যায়নি। ভুল হওয়ার পর হাসপাতালের কর্মীরা তা মেনে নিলে এতকিছু হতো না। কিন্তু তারা পাল্টা আমাদের উপরই চাপ দিতে থাকে।
এক আধিকারিক বলেন, হাসপাতালে পরিষেবা অনেক উন্নত হয়েছে। কিন্তু একশ্রেণির কর্মীর জন্য বদনাম হচ্ছে। তারা অকারণে রোগীর পরিবারের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছে। তারা তাদের নিজেদের সিদ্ধান্তকেই চূড়ান্ত বলে মনে করে। মৃত শিশুর পরিবারের কথা শুনে তারা ভুল শুধরে নিলে জলঘোলা হতো না।
বর্ধমান মেডিকাল কলেজ হাসপাতালের এমএসভিপি তাপস ঘোষ বলেন, প্রিন্টিং ভুলের জন্য সমস্যা হয়েছিল। রিলিজ কাগজে মেয়ের জায়গায় ছেলে লেখা হয়েছিল। যিনি এই কাজটি করেছেন তাঁকে শোকজ করা হয়েছে। মৃত শিশুর পরিবারকে লিখিত অভিযোগ জমা করার জন্য বলা হয়েছে। তাঁরা তা দিলে বিভাগীয় তদন্ত করা হবে। কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা ঠিক নয়।



