নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ব্যাঙ্কে মর্টগেজ থাকা সম্পত্তি কম দামে কেনার টোপ গিলে ৮৫লক্ষ টাকা প্রতারণার শিকার হল এক পুলিস অফিসারের পরিবার। বর্তমান তমলুকে পুলিস সুপারের অফিসে সাব ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত ওই অফিসার। তাঁর মা আল্পনা পাল ২০নভেম্বর এনিয়ে তমলুক থানায় এফআইআর করেছেন। কলকাতার এক দম্পতির বিরুদ্ধে এনিয়ে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। তমলুক থানার আইসি সুভাষচন্দ্র ঘোষ বলেন, লিখিত অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়েছে।
Advertisement
তমলুক শহরে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আবাসবাড়ি এলাকায় আল্পনাদেবীর বাড়ি। তাঁরই ছেলে পুলিসের ওই সাব ইন্সপেক্টর। অফিসারের ছেলে অবশ্য কলকাতার স্কুলে পড়াশোনা করে। ওই পুলিস অফিসারের স্ত্রী কলকাতায় ভাড়া করা ফ্ল্যাটে ছেলেকে নিয়ে থাকেন। ২০১৯ সাল নাগাদ অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে বেসরকারি ব্যাঙ্কের ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে আল্পনাদেবীর বাড়িতে গিয়ে ভাব জমান বলে তিনি পুলিসকে জানিয়েছেন। ব্যাঙ্কে মর্টগেজ রাখা কলকাতা এলাকার তিনটি সম্পত্তি তুলনামূলক কম দামে বিক্রির টোপ দিয়েছিলেন বলে পুলিসকে লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন তিনি। ছেলে এবং বউমার সঙ্গে আলোচনার পর ওই সম্পত্তি কেনার জন্য দাবিমতো ৮৫লক্ষ টাকা দিয়ে দেন। ২০২০ সালে ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত দফায় দফায় ওই টাকা পেমেন্ট করা হয়। আল্পনাদেবী পুলিসকে জানিয়েছেন, ২০২২ সালের ৩১ অক্টোবর ব্যাঙ্কে মর্টগেজ রাখা কলকাতার ফ্ল্যাট ও জমি কেনার জন্য ৫০ হাজার টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প পেপারে এগ্রিমেন্ট হয়। তারপর সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করার জন্য বারবার চাপ দেওয়া হলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্ণপাত করেননি। এই অবস্থায় ছেলে ও বউমা অভিযুক্তের সঙ্গে দেখা করতে তার ফ্ল্যাটে হাজির হয়। সেখান থেকে অভিযুক্ত দম্পতি গালিগালাজ করে বের করে দেয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ফাঁসানোর হুমকিও দেওয়া হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি ছেলের পূর্ব পরিচিত বলেও তমলুক থানার পুলিসকে জানিয়েছেন আল্পনাদেবী।
জানা গিয়েছে, প্রতারিত ওই পুলিস অফিসার ছেলের কলকাতার বেসরকারি স্কুলে পড়ানোর জন্য সেখানে একটি ফ্ল্যাট কিনতে খোঁজখবর চালাচ্ছিলেন। ইতিমধ্যেই ব্যাঙ্ক ম্যানেজার পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তি কলকাতায় ফ্ল্যাট এবং তিন জায়গায় বহুমূল্য জমি মাত্র ৮৫লক্ষ টাকায় দেওয়ার টোপ দেন। তাতে সাড়া দেয় ওই পুলিস অফিসারের পরিবার। টাকা দেওয়ার পরও অভিযুক্ত সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করেনি বলে পুলিস অফিসারের পরিবার থানার দ্বারস্থ হয়েছে। আল্পনাদেবী বলেন, প্রতারণায় অভিযুক্ত ব্যক্তি আমার ছেলের পরিচিত। আমাদের বাড়িতে আসা-যাওয়া ছিল। তাকে বিশ্বাস করেই ৮৫লক্ষ টাকা দিয়েছি। কিন্তু, টাকা দেওয়ার পরও সম্পত্তি রেজিস্ট্রি হয়নি। আমরা কোনও সম্পত্তির দখল পাইনি। অভিযুক্তের সঙ্গে বারবার এনিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা হয়। কিন্তু, ওই ব্যক্তি এড়িয়ে যাচ্ছেন। তাই বাধ্য হয়ে পুলিসের দ্বারস্থ হয়েছি। জেলা পুলিসের সাব ইন্সপেক্টর বলেন, ওই ব্যক্তি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, প্রতারিত ওই পুলিস অফিসার ছেলের কলকাতার বেসরকারি স্কুলে পড়ানোর জন্য সেখানে একটি ফ্ল্যাট কিনতে খোঁজখবর চালাচ্ছিলেন। ইতিমধ্যেই ব্যাঙ্ক ম্যানেজার পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তি কলকাতায় ফ্ল্যাট এবং তিন জায়গায় বহুমূল্য জমি মাত্র ৮৫লক্ষ টাকায় দেওয়ার টোপ দেন। তাতে সাড়া দেয় ওই পুলিস অফিসারের পরিবার। টাকা দেওয়ার পরও অভিযুক্ত সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করেনি বলে পুলিস অফিসারের পরিবার থানার দ্বারস্থ হয়েছে। আল্পনাদেবী বলেন, প্রতারণায় অভিযুক্ত ব্যক্তি আমার ছেলের পরিচিত। আমাদের বাড়িতে আসা-যাওয়া ছিল। তাকে বিশ্বাস করেই ৮৫লক্ষ টাকা দিয়েছি। কিন্তু, টাকা দেওয়ার পরও সম্পত্তি রেজিস্ট্রি হয়নি। আমরা কোনও সম্পত্তির দখল পাইনি। অভিযুক্তের সঙ্গে বারবার এনিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা হয়। কিন্তু, ওই ব্যক্তি এড়িয়ে যাচ্ছেন। তাই বাধ্য হয়ে পুলিসের দ্বারস্থ হয়েছি। জেলা পুলিসের সাব ইন্সপেক্টর বলেন, ওই ব্যক্তি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করা হয়েছে।



