নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: দীর্ঘ কেন্দ্রীয় বঞ্চনার পর অবশেষে গ্রাম বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুর্শিদাবাদ জেলায় বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ৩২৩ কোটি টাকা দিচ্ছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার থেকেই ধাপে ধাপে টাকা পেতে শুরু করেছেন উপভোক্তারা। প্রাথমিক ভাবে ৫৩ হাজার ৯৬৭ জন প্রাপকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকছে। প্রথম কিস্তিতে বাড়ি প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে ৬০ হাজার টাকা ঢুকল। এর পরের বার উপভোক্তাদের ৪০ হাজার টাকা ঢুকবে এবং তৃতীয় ধাপে আরও ২০ হাজার টাকা পাবেন উপভোক্তারা।
Advertisement
অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) মহম্মদ শামসুর রহমান বলেন, মুর্শিদাবাদ জেলায় ৩২২.৮৯৬ কোটি টাকা পাবেন উপভোক্তারা। মঙ্গলবার থেকেই টাকা ঢুকতে শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, এবছর নভেম্বর মাসেই আবাসের সার্ভের কাজ শেষ করেছে জেলা প্রশাসন। জেলার এক লক্ষ ৯০ হাজার উপভোক্তা বাড়ি পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। মোট দুই লক্ষ ৯৫ হাজার আবেদনের মধ্যে ২ লক্ষ ৭১ হাজার আবেদন খতিয়ে দেখেছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। সেখানে ৭০ শতাংশ মানুষ বাড়ি পাওয়ার যোগ্য বলেই মনে করছে প্রশাসনের কর্তারা। সার্ভে শেষ হওয়ার পরেও সাধারণ মানুষ নিজেদের দাবি ও অভিযোগ জানানোর সুযোগ পেয়েছে। তারপর আবেদন খতিয়ে দেখে এদিন থেকেই প্রায় ৫৪ হাজার উপভোক্তার বাড়ির টাকা ঢুকতে শুরু করেছে অ্যাকাউন্টে।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, আমরা নভেম্বরের শেষ দিকে সমস্ত ব্লক অফিসে সঠিক ও যোগ্য উপভোক্তাদের তালিকা প্রকাশ করেছি। তারপরেও ফের দাবি ও আপত্তি জানানোর সময় পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। তবে প্রাথমিক ভাবে ২ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭৮৬ জনের আবেদনের মধ্যে ২ লক্ষ ৭০ হাজার ৯৯৫টি আবেদন খতিয়ে দেখে তার মধ্যে ৭০ শতাংশ ব্যক্তি বাড়ি পাওয়ার যোগ্য বলে আমাদের মনে হয়েছে।
উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, আবাসের টাকা রাজ্য সরকারই দেবে। সেই লক্ষ্যে দুর্গাপুজো মিটতেই অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহের পর থেকে জোরকদমে সমীক্ষার কাজ শুরু করে মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন। শেষবার আবাস যোজনার সার্ভে অনুযায়ী জেলায় ২ লক্ষ ৬৪ হাজার পরিবার বাড়ি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিল। তারমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের পোর্টালে ৪৪ হাজার আবেদন অনুমোদন হয়ে যাওয়ার পরেও টাকা পাঠায়নি কেন্দ্র। এবার মুর্শিদাবাদের ২ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭৮৬ জন মানুষের নাম বাড়ি প্রাপকের তালিকায় ছিল। সেই তালিকা দেখে ২৫০টি গ্রাম পঞ্চায়েতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষার কাজ শুরু হয়। শেষপর্যন্ত জেলার ২ লক্ষ ৭০ হাজার ৯৯৫ জন উপভোক্তার বাড়িতে গিয়ে সমীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে প্রায় ৭০.১০ শতাংশ বাড়ি পাওয়ার যোগ্য। প্রায় চার হাজার উপভোক্তার হদিশ মেলেনি। পরবর্তীতে যদি তাঁদের পাওয়া যায়, তাহলে ফের সমীক্ষা করা হবে বলে জানান আধিকারিকেরা। প্রকৃত গৃহহীনরা যাতে বাড়ি পায়, সেটাই লক্ষ্য জেলা প্রশাসনের। তাই সমীক্ষা করে বেশ কিছু আবেদন বাদ দিয়েছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা।
নবগ্রামের বাসিন্দা পানু মুর্মূ এদিন নবান্ন সভাঘর থেকে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা নিয়েছেন। তিনি বলেন, জীবনের একটা স্বপ্ন এবার পূরণ হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অসংখ্য ধন্যবাদ। উনি না থাকলে আমাদের মাথার উপরে কোনওদিনই ছাদ হতো না। রঘুনাথগঞ্জের খোদারামপুরের বাসিন্দা শুকতারা খাতুন বলেন, আমরা খুব খুশি। মুখ্যমন্ত্রীকে যে কী ভাষায় কৃতজ্ঞতা জানাব, বুঝে পাচ্ছি না। এবার আমাদের নিজের একটা বাড়ি হবে।
উল্লেখ্য, এবছর নভেম্বর মাসেই আবাসের সার্ভের কাজ শেষ করেছে জেলা প্রশাসন। জেলার এক লক্ষ ৯০ হাজার উপভোক্তা বাড়ি পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। মোট দুই লক্ষ ৯৫ হাজার আবেদনের মধ্যে ২ লক্ষ ৭১ হাজার আবেদন খতিয়ে দেখেছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। সেখানে ৭০ শতাংশ মানুষ বাড়ি পাওয়ার যোগ্য বলেই মনে করছে প্রশাসনের কর্তারা। সার্ভে শেষ হওয়ার পরেও সাধারণ মানুষ নিজেদের দাবি ও অভিযোগ জানানোর সুযোগ পেয়েছে। তারপর আবেদন খতিয়ে দেখে এদিন থেকেই প্রায় ৫৪ হাজার উপভোক্তার বাড়ির টাকা ঢুকতে শুরু করেছে অ্যাকাউন্টে।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, আমরা নভেম্বরের শেষ দিকে সমস্ত ব্লক অফিসে সঠিক ও যোগ্য উপভোক্তাদের তালিকা প্রকাশ করেছি। তারপরেও ফের দাবি ও আপত্তি জানানোর সময় পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। তবে প্রাথমিক ভাবে ২ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭৮৬ জনের আবেদনের মধ্যে ২ লক্ষ ৭০ হাজার ৯৯৫টি আবেদন খতিয়ে দেখে তার মধ্যে ৭০ শতাংশ ব্যক্তি বাড়ি পাওয়ার যোগ্য বলে আমাদের মনে হয়েছে।
উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, আবাসের টাকা রাজ্য সরকারই দেবে। সেই লক্ষ্যে দুর্গাপুজো মিটতেই অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহের পর থেকে জোরকদমে সমীক্ষার কাজ শুরু করে মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন। শেষবার আবাস যোজনার সার্ভে অনুযায়ী জেলায় ২ লক্ষ ৬৪ হাজার পরিবার বাড়ি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিল। তারমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের পোর্টালে ৪৪ হাজার আবেদন অনুমোদন হয়ে যাওয়ার পরেও টাকা পাঠায়নি কেন্দ্র। এবার মুর্শিদাবাদের ২ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭৮৬ জন মানুষের নাম বাড়ি প্রাপকের তালিকায় ছিল। সেই তালিকা দেখে ২৫০টি গ্রাম পঞ্চায়েতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষার কাজ শুরু হয়। শেষপর্যন্ত জেলার ২ লক্ষ ৭০ হাজার ৯৯৫ জন উপভোক্তার বাড়িতে গিয়ে সমীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে প্রায় ৭০.১০ শতাংশ বাড়ি পাওয়ার যোগ্য। প্রায় চার হাজার উপভোক্তার হদিশ মেলেনি। পরবর্তীতে যদি তাঁদের পাওয়া যায়, তাহলে ফের সমীক্ষা করা হবে বলে জানান আধিকারিকেরা। প্রকৃত গৃহহীনরা যাতে বাড়ি পায়, সেটাই লক্ষ্য জেলা প্রশাসনের। তাই সমীক্ষা করে বেশ কিছু আবেদন বাদ দিয়েছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা।
নবগ্রামের বাসিন্দা পানু মুর্মূ এদিন নবান্ন সভাঘর থেকে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা নিয়েছেন। তিনি বলেন, জীবনের একটা স্বপ্ন এবার পূরণ হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অসংখ্য ধন্যবাদ। উনি না থাকলে আমাদের মাথার উপরে কোনওদিনই ছাদ হতো না। রঘুনাথগঞ্জের খোদারামপুরের বাসিন্দা শুকতারা খাতুন বলেন, আমরা খুব খুশি। মুখ্যমন্ত্রীকে যে কী ভাষায় কৃতজ্ঞতা জানাব, বুঝে পাচ্ছি না। এবার আমাদের নিজের একটা বাড়ি হবে।



