সংবাদদাতা, তেহট্ট: এক সাত বছরের মূক-বধির শিশুকন্যার মৃত্যু ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেটে করিমপুর থানার কাঁঠালিয়া এলাকায়। মৃত শিশুকন্যার নাম ইসা সরকার। মায়ের অসতর্কতার জন্য শিশুর মৃত্যু হয়েছে এই মর্মে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। সেজন্য মৃত শিশুর মাকে পুলিস নোটিস পাঠিয়েছে। পুলিস শিশুর দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাত বছরের ইসা মা ও ঠাকুমার সঙ্গে থাকত। ইসার বাবা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। মেয়েটি বিশেষভাবে সক্ষম ছিল। মঙ্গলবার তার মৃতদেহ পাশের একটি খাল থেকে উদ্ধার হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি ইসাকে যখন জল থেকে তোলা হয় তখন তার নাক মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। তাই এটা স্বাভাবিক মৃত্যু নয় বলেই মনে করছেন তাঁরা। এই মৃত্যুর ঘটনার উপযুক্ত তদন্তের দাবি জানান তাঁরা।
শিশুর এক আত্মীয় বলেন, আমি খবর পায় যে ইসা মারা গিয়েছে। এসে দেখি ইসা উঠোনে পরে আছে। শুনলাম বাড়ির পিছনে থাকা খালর জলে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে। অনেকে আবার অন্য কথা বলছে। কি ঘটেছে তা সঠিক ভাবে কেউ বলতে পারছে না। এলাকার লোকজনের হাত থেকে ইসার মাকে বাঁচাতে পুলিস তাকে থানায় নিয়ে গিয়েছে। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে আবার বাড়িতে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। এখন পুলিস তদন্ত করে বের করুক কি ভাবে ইসার মৃত্যু হয়েছে। যদি এই মৃত্যুর পিছনে অন্য কারণ পুলিস খুঁজে পায় তাহলে দোষীর উপযুক্ত শাস্তি হয়।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, যদি জলে ডুবে মৃত্যু হতো তাহলে নাক মুখ দিয়ে রক্ত বের হতো না। এই মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও রহস্য আছে। সেই রহস্য কি তা পুলিস ঠিকই বের করতে পারবে। আমরা পুলিসের উপর সম্পূর্ণ ভরসা রাখি।
পুলিস জানিয়েছে, ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তবে মেয়েটির ঠাকুমার অভিযোগের ভিত্তিতে অসতর্কতার জন্য মৃত্যু ধারায় মামলা করে মেয়েটির মাকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কোন কিছু পাওয়া যায় কি না তা দেখবে পুলিস।