নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: বন্যায় ভেসে গিয়েছে ঘরবাড়ি। ফলে সদ্যোজাতকে নিয়ে ফিরতে পারছেন না প্রসূতি। এদিকে, বিপর্যয়ের জেরে ওই প্রসূতির পরিবারের সবকিছু ভেসে যাওয়ায় চাঁদা তুলে মেটানো হল নার্সিংহোমের বিল। এগিয়ে এলেন চিকিৎসক, নার্স ও আয়ারা। প্রসূতির হাতে তুলে দেওয়া হল কিছু অর্থ সাহায্য।
পুত্রসন্তানকে নিয়ে ঘরে ফিরতে না পারায় মন খারাপ বিমল রায় ও কল্পনা রায়ের। শুধু তাই নয়, এই পরিস্থিতিতে স্ত্রী ও সন্তানের কাছেও থাকতে পারছেন না ময়নাগুড়ির আমগুড়ি পঞ্চায়েতের বেতগাড়া খাটোরবাড়ির বাসিন্দা বিমল। স্ত্রী ও সদ্যোজাত সন্তানকে ময়নাগুড়ির টেকাটুলি বাশিলারডাঙা এলকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে রেখে মা-বাবা, ভাই-বোনকে নিয়ে জলঢাকা নদীর বাঁধের উপর ত্রাণশিবিরে পলিথিনের ছাউনির নীচে দিন কাটছে তাঁর। এভাবে কতদিন কাটাতে হবে, জানেন না বিমল।
বাড়িতে একটা চিঁড়েমিল ছিল তাঁর। নদীর জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে সেটি। ফলে আগামী দিনে কীভাবে সংসার চলবে, ভেবে পাচ্ছেন না বানভাসি এই দম্পতি। আর তাই ঘরে নতুন অতিথি এলেও তাঁদের চোখেমুখে একরাশ অনিশ্চয়তার কালো মেঘ।