Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

তামিলনাড়ুতে একসঙ্গে নিট পরীক্ষায় পাশ মা ও মেয়ের

একসঙ্গে ডাক্তারি পরীক্ষায় বসেছিলেন মা-মেয়ে। নিটে দু’জনেই সফল।  মা ৪৯ বছরের আমুতাভাল্লি মণিভন্নন পেয়েছেন ১৪৭। আর ৪৫০ নম্বর পেয়ে কৃতকার্য হয়েছেন মেয়ে সংযুক্তা।

তামিলনাড়ুতে একসঙ্গে নিট পরীক্ষায় পাশ মা ও মেয়ের
  • ৩ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

চেন্নাই: একসঙ্গে ডাক্তারি পরীক্ষায় বসেছিলেন মা-মেয়ে। নিটে দু’জনেই সফল।  মা ৪৯ বছরের আমুতাভাল্লি মণিভন্নন পেয়েছেন ১৪৭। আর ৪৫০ নম্বর পেয়ে কৃতকার্য হয়েছেন মেয়ে সংযুক্তা। বিরুদ্ধ নগরের সরকারি মেডিক্যাল কলেজে যখন দু’জনে একইসঙ্গে  পরীক্ষা হলে ঢুকছেন, তখন অনেকেই ভেবেছিলেন যে, মেয়েকে পৌঁছে দিতে এসেছেন মা। জীবনের অন্যতম বড় পরীক্ষায় মেয়ের মনোবল বাড়াতেই মায়ের আসা। তবে সময় পেরতেই দু’জনে একইসঙ্গে পরীক্ষা দেওয়া শুরু করেন। অবাক হয়ে যান সকলেই। 

Advertisement

আমুতাভল্লির এই সাফল্যের খবর ভাইরাল হতেই নানা মহল থেকে চর্চা তুঙ্গে। সকলের একটাই প্রশ্ন। এই বয়সে এসে কীভাবে পারলেন তিনি? পেশায় ফিজিওথেরাপিস্ট আমুথাভল্লি জানিয়েছেন, মেয়ে সংযুক্তাই তাঁর অনুপ্রেরণা। বলেন, ‘ছোট থেকেই চিকিৎসক হওয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু যখন ছাত্রী ছিলাম সেই সুযোগ হয়নি। পরে মেয়ে যখন নিট প্রস্তুতি শুরু করে তখন তাঁর অধ্যবসায় আমাকে অনুপ্রেরণা জোগায়। মেয়ের বই নিয়েই পড়াশোনা শুরু করি।’ কী বলছেন মেয়ে? সংযুক্তা জানিয়েছেন, পেশায় আইনজীবী তাঁর বাবা দু’জনকেই পরীক্ষায় সমর্থন করে গিয়েছেন। তবে মা যে কলেজে পড়বেন, সেখানে তিনি পড়তে রাজি নন। এমনিতেই তিনি মায়ের থেকে বেশি নম্বর পেয়েছেন। আরও ভালো কলেজে তাঁর সুযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে সংযুক্তা বলেন, ‘মায়ের সঙ্গে একই কলেজে আমি পড়তে চাই না। আমি সাধারণ কোটায় যেতে চাই। ইচ্ছা আছে, রাজ্যের বাইরে কোনও কলেজে পড়ার। 
আমুথাভল্লি অবশ্য তাতে কোনও সমস্যা দেখছেন না। তিনি যে কলেজে সুযোগ পাবেন সেখানেই পড়বেন। লক্ষ্য একটাই, ছেলেবেলার সাধ পূরণ করা। চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করা। একটু বেশি বয়সেই সেই সাধ পূরণ হল। সাফল্য এল পঞ্চাশের দোরগোড়ায় গিয়ে। তাতে কী? এখান থেকেই জীবনের নতুন সূচনা করবেন আমুথাভল্লি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ