সংবাদদাতা, বর্ধমান: এগরোল খেয়ে খিদে না মেটায় ছেলের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে কীটনাশক খেয়ে এক প্রৌঢ়া আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতার নাম কাকলি চক্রবর্তী(৫৮)। তাঁর বাড়ি শক্তিগড় থানার বলগনায়। শনিবার দুপুরে বাড়িতে তিনি কীটনাশক খান। তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার রাতে তিনি মারা যান। মৃতার ছেলে অমিত চক্রবর্তী বলেন, শুক্রবার রাতে বাড়িতে এগরোল নিয়ে যাই। মাকে একটা এগরোল দিই। সেটি খেয়ে খিদে মেটেনি বলে মা আমায় জানান। এরপর মায়ের সঙ্গে আমার দু’-এক কথা হয়। পরের দিন স্ত্রীকে নিয়ে আমি বর্ধমানে ডাক্তার দেখাতে যাই। সেসময় বাড়িতে একা থাকার সুযোগে মা কীটনাশক খান। বাড়ি ফিরে মায়ের মুখ থেকে কীটনাশকের গন্ধ পেয়ে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাই। আমার সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরেই মা আত্মঘাতী হয়েছেন বলে মনে হচ্ছে।
কেতুগ্রামে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী: কেতুগ্রাম থানা এলাকায় কীটনাশক খেয়ে এক মহিলা আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতার নাম আরতি দাস(৪২)। সোমবার রাতে বাড়িতে তিনি কীটনাশক খান। তাঁকে প্রথমে বোলপুরের সিয়ান হাসপাতালে ও পরে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হয়। মঙ্গলবার সকালে তিনি মারা যান। সাংসারিক অশান্তির কারণে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে পরিবারের দাবি।
ভাতারে খেতমজুরের অস্বাভাবিক মৃত্যু: ভাতার থানার ধাদলসা গ্রামে এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম মঙ্গল হেমব্রম(২৪)। তিনি পেশায় খেতমজুর ছিলেন। মঙ্গলবার বিকেলে ঘরে বাঁশের কাঠামো থেকে তাঁকে ঝুলতে দেখেন পরিবারের লোকজন। তড়িঘড়ি তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সাংসারিক অশান্তির কারণে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে পরিবারের দাবি।
মাধবডিহিতে যুবক আত্মঘাতী: মাধবডিহি থানার কাইতিতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে এক যুবক আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতের নাম রাহুল ধাড়া(৩২)। সোমবার বিকেলে ঘরের ভিতর তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন পরিবারের লোকজন। পুলিস দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। সাংসারিক অশান্তির কারণে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে পরিবারের দাবি।
বর্ধমানে গলায় খাবার আটকে বৃদ্ধের মৃত্যু: বর্ধমান থানার পালিতপুরে গলায় খাবার আটকে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম দুখিরাম বাগ(৬৪)। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে খেতে বসে তাঁর গলায় ভাত আটকে যায়। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
দেওয়ানদিঘিতে বাস দুর্ঘটনায় মৃত আরও ১: দেওয়ানদিঘি থানার ভাণ্ডারডিহিতে বাস দুর্ঘটনায় জখম আরও এক যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম নওসাদ শেখ(৬৬)। তাঁর বাড়ি মেমারি থানার চকচকিয়া গ্রামে। উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরে বর্ধমান হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে আসানসোল–নবদ্বীপ রুটের ওই বাসে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। ভাণ্ডারডিহির কাছে বাসটি উল্টে গেলে বেশ কয়েকজন যাত্রী জখম হন। তাঁদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়। বাকিরা বর্ধমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। নওসাদ সাহেবকে পরিবারের লোকজন হাসপাতাল থেকে নিয়ে গিয়ে শহরেরই একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করেন। সেখানেই মঙ্গলবার ভোরে তিনি মারা যান।
বর্ধমানে গাড়ির ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু: বর্ধমান থানার পালিতপুরে গাড়ির ধাক্কায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম শেখ ঝুলান(২৮)। তাঁর বাড়ি বর্ধমান থানার বাজেপ্রতাপপুর এলাকায়। তিনি পালিতপুরে একটি বেসরকারি কারখানায় কাজ করতেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে কারখানা থেকে বেরনোর সময় একটি গাড়ি তাঁকে ধাক্কা মেরে পালায়। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কালনায় পথ-দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু: কালনা থানার গাবতলা এলাকায় লরির সঙ্গে চারচাকার ধাক্কায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম নাসিম মল্লিক(২৬)। তাঁর বাড়ি কালনার পারদুসকা গ্রামে। জখম হয়েছেন তাঁর এক সঙ্গী। তাঁকে কালনা হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে চারচাকা নিয়ে তাঁরা বাড়ি ফিরছিলেন। গাবতলা এলাকায় একটি লরি তাঁদের চারচাকাটিকে ধাক্কা মারে। তাতে নাসিম ও তাঁর সঙ্গী জখম হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে কালনা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে নাসিমকে শক্তিগড় থানা এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার ভোরে তিনি মারা যান।
বর্ধমানে ছাত্রের দেহ উদ্ধার: বর্ধমান শহরের সাহাচেতন এলাকা থেকে উদ্ধার হল বাঁকায় তলিয়ে যাওয়া ছাত্রের দেহ। মৃতের নাম অরিন্দম দাস(১৮)। তাঁর বাড়ি শহরের নতুনগঞ্জ এলাকায়। তিনি বর্ধমান মিউনিসিপাল বয়েজ হাইস্কুলের দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়তেন।