Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

খাদ্যশস্যের মান বজায় রাখতে নজরদারি

উত্তর কলকাতার কাশীপুরে খাদ্যশস্যর গুদামে নজরদারির জন্য বিশেষ সেল গঠন করল খাদ্যদপ্তর। খাদ্যশস্যের গুণমান বজায় রাখার জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

খাদ্যশস্যের মান বজায় রাখতে নজরদারি
  • ১২ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উত্তর কলকাতার কাশীপুরে খাদ্যশস্যর গুদামে নজরদারির জন্য বিশেষ সেল গঠন করল খাদ্যদপ্তর। খাদ্যশস্যের গুণমান বজায় রাখার জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি সংস্থা স্টেট ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশন নিয়ন্ত্রণাধীন এই গুদামটি রা঩জ্যের মধ্যে সবচেয়ে বড়। এখানকার ৭৪টি গুদাম-শেডে মোট ৮০ হাজার ৩৬৪ টন খাদ্যশস্য মজুত রাখা যায়। খাদ্যদপ্তর সূত্রের খবর, এই গুদামে কিছু অনিয়ম হচ্ছে বলে তথ্য পাওয়ার পরেই বিশেষ নজরদারি সেল গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই সেলের নেতৃত্বে থাকবেন ডেপুটি ডিরেক্টর পদের একজন আধিকারিক। ওই গুদামের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে তিনি কাজ করবেন।  তাঁর অধীনে দু’জন করে ইনসপেক্টর, ক্লার্ক ও গ্রুপ ডি কর্মী থাকবেন। গুদামের সব আধিকারিক ও কর্মীদের বায়োমেট্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে হাজিরা চালু করতেও বলা হয়েছে। 

Advertisement

বিভিন্ন জায়গা এফসিআই-র গুদাম থেকে পাঠনো গম ও খাদ্যদপ্তরের নিজস্ব গুদাম থেকে চাল কাশীপুরে মজুত করা হয়। দু‌ই ২৪ পরগনা ও কলকাতায় রেশন দোকান এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের জন্য চাল-গম সরবরাহ করা হয় কাশীপুর থেকে। কিন্তু সম্প্রতি অভিযোগ ওঠে এখানে নিম্নমানের চাল-গম মিশিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে। রেশন ডিলারদের সংগঠনের তরফে খাদ্যদপ্তরের কাছে এব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করা হয়। খাদ্যদপ্তর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার পরই নজরদারির ওই নির্দেশ জারি করেছে। 
নজরদারি সেলকে  কী কী ধরনের ব্যবস্থা কাশীপুর গুদামের জন্য নিতে হবে, তাও খাদ্যদপ্তরের নির্দেশিকায় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। গুদামের সঙ্গে যুক্ত সব কর্মীর উপর নজর রাখতে বলা হয়েছে। লরিতে খাদ্যশস্য আসার সময়  মাঝে মাঝে তার নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবেরটরিতে পরীক্ষার জন্য পাঠাতেও বলা হয়েছে। খাদ্যশস্যর নমুনা সংগ্রহের যে রুটিন ব্যবস্থা আছে, এটা তার অতিরিক্ত। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ