Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রামশাইয়ে চা শ্রমিকের থেকে টাকা ছিনতাই, দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা

চা শ্রমিকের কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠল চারজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়নাগুড়ি রামশাই গ্রাম পঞ্চায়েতে। এদিকে, ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধরা অভিযুক্তদের বাড়ি ভাঙচুর করেছে বলেও পাল্টা অভিযোগ উঠেছে।

রামশাইয়ে চা শ্রমিকের থেকে টাকা ছিনতাই, দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা
  • ৮ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: চা শ্রমিকের কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠল চারজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়নাগুড়ি রামশাই গ্রাম পঞ্চায়েতে। এদিকে, ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধরা অভিযুক্তদের বাড়ি ভাঙচুর করেছে বলেও পাল্টা অভিযোগ উঠেছে। এমনকী বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও সোনার গয়না ছিনতাই করা হয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে রামশাই এলাকায়। দু’পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। 

Advertisement

অভিযোগ, গত ৫ জুন দীপক ওরাওঁ রাতে চা বাগানের কাজের পারিশ্রমিকের টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় বিমল রায়, রবি রায়, অনিল রায় এবং আনন্দ সরকার তাঁর পথ আটকায়। তাঁর কাছ থেকে টাকা ছিনতাই করে মারধর করা হয়। জখম দীপকবাবু ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা করান। শনিবার তিনি ওই চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে ঘটনাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে পাল্টা দাবি করেছে অভিযুক্তরা। তাদের দাবি, দীপক ওরাওঁ দলবল নিয়ে তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায়। মহিলাদের শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। বাড়িঘর ভাঙচুরের পাশাপাশি নগদ টাকা ও সোনার গয়না ছিনতাই করেছে। 
দীপক ওরাওঁ বলেন, আমার টাকা-পয়সা ছিনতাই করেছে। মারধর করেছে। আর সেই বিষয় নিয়ে একটি মীমাংসার কথা ছিল শনিবার। সে কারণেই আমাদের গ্রামের বেশ কয়েকজন মহিলা এসেছিল। আমিও এসেছিলাম। ওরা কিন্তু কেউ দেখা করতে আসেনি। যে হামলার কথা বলা হচ্ছে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর জন্য এখন এ কথা বলছে তারা। 
অপরপক্ষের রবি রায় বলেন, মীমাংসার কোনও কথা বলা হয়নি। কারণ আমরা কোনও কিছু করিনি। বরং তারাই দলবল নিয়ে এসে হামলা চালায়। মহিলাদের মারধর করা হয়েছে। আমার বাড়ি থেকে ৯০ হাজার টাকা ও লক্ষাধিক টাকার সোনার গয়না নিয়ে গিয়েছে। ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।  ভাঙচুর করা হয়েছে অভিযুক্তের বাড়ি। - নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ