


নয়াদিল্লি: সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় সারা বিশ্বকে একজোট হয়ে লাগাতার লড়াই করতে হবে। নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে সরব হয়ে অন্য সময় চুপ থাকলে বা সুবিধাবাদী অবস্থান নিলে আখেরে ধাক্কা খাবে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই। কানাডায় জি-৭ সম্মেলনে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় এমনই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যুর প্রেক্ষিতে মোদির এই বার্তা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত তথ্যাভিজ্ঞ মহলের। বুধবার প্রধানমন্ত্রী জানান, এই হামলা শুধু ভারতের নয়, সারা বিশ্বের কাছেই একটা আঘাত। তিনি বলেন, ‘পহেলগাঁওয়ের হামলা শুধুই ভারতীয়দের নয়, বিশ্ব মানবতার উপরেও আঘাত।’
এর পরেই নাম না করে পাকিস্তানকে নিশানা করেন মোদি। জি-৭ সম্মেলনে উপস্থিত রাষ্ট্রনেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘একদিকে আমরা নিজের সুবিধা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করি। অন্যদিকে, যে সমস্ত দেশ প্রকাশ্যেই জঙ্গিদের মদত দেয়, তাদেরকেই আবার পুরষ্কৃত করি।’ উল্লেখ্য, বার বার বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনকে মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। অথচ পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তীব্র সংঘাতের আবহেই বিশেষ বোর্ড বৈঠক ডেকে ইসলামাবাদের জন্য বিশেষ অর্থ সহায়তা অনুমোদন করে আইএমএফ। জঙ্গিদের মদতদাতা পাকিস্তানকে ১০০ কোটি ডলারের ঋণ মঞ্জুরের তীব্র বিরোধিতা করেছিল ভারত। ভোটাভুটির সময় ভারত অনুপস্থিতও থাকে। তাতেও অবশ্য কাজের কাজ কিছু হয়নি। এই ঘটনায় রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করে ভারত। এদিন ঘুরিয়ে সেই প্রসঙ্গ তুলে মোদি খোঁচা দিলেন বলে মনে করা হচ্ছে।