নয়াদিল্লি, ৬ আগস্ট: বাণিজ্য ক্ষেত্রে বারবার হুমকি দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চড়া হারে শুল্ক চাপিয়ে গোটা বিশ্বে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীন ও রাশিয়াকে শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়ে বারবার হুমকিও দিচ্ছেন। মস্কোর থেকে জ্বালানি তেল কেনার জন্য নয়াদিল্লির উপরও চড়া হারে শুল্ক চাপানোর হুমকি দিচ্ছেন ট্রাম্প। এর মাঝেই বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারত। দীর্ঘ ছ’বছর বাদে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যে মুহূর্তে বাণিজ্যিক বিষয়ে আমেরিকা রক্তচক্ষু দেখাচ্ছে ভারতকে। তখনই মোদির চীন সফর বিশেষ উল্লেখযোগ্য বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। চলতি মাসের শেষে আন্তর্জাতিক জোট ‘সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন’ (এসসিও)-এর রাষ্ট্রনেতাদের বৈঠক রয়েছে চীনে।
ওই বৈঠকে যোগ দিতে চীন সফরে যাচ্ছেন মোদি। আগামী ৩১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর চীনের তিয়ানজিন শহরে বসবে এসসিও-র বৈঠক। সেখানে যোগ দেবেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা। সূত্রের খবর, এবারের সফরে শুধুই এসসিও সামিটে যোগ দেওয়া নয়, মোদি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে পারেন চীনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের সঙ্গেও। আর মোদির এই সফর নিয়ে ট্রাম্প কী প্রতিক্রিয়া দেন সেটাই দেখার অপেক্ষায় বিশ্ব। ২০১৯ সালে শেষ চীন সফরে গিয়েছিলেন মোদি। তারপর ২০২০-তে লাদাখের গালওয়ানে ভারত ও চীনের সেনার মতো ঝামেলার জন্য সম্পর্ক খারাপ হয় দুই দেশের মধ্যে। যদিও সেই সম্পর্কে উন্নতি হয়েছে সম্প্রতি। তারপরেই এই সফর মোদির। এর আগে ২০২৪-এর অক্টোবরে কাজানের ব্রিকস সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করেছিলেন মোদি।
তারপর ড্রাগনের দেশে দীর্ঘদিন পর যাচ্ছেন মোদি। এই সামিটে পাকিস্তান থাকবে কীনা সেই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। পহেলগাঁও হামলা নিয়ে চীনে গিয়ে কী বক্তব্য রাখেন মোদি, তার দিকেও তাকিয়ে রয়েছে বিশ্ব। তবে চীন সফরের আগে জাপানে যাবেন মোদি। ৩০ আগস্ট টোকিওতে পৌঁছনোর কথা রয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর।