Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মোদির সভায় মোবাইল লুট, মাথায় হাত বিজেপি কর্মীদের

প্রধানমন্ত্রীর সভামঞ্চকে ব্যাকগ্রাউন্ড বানিয়ে সেলফিটা আর নেওয়া হল না বিজেপির বহু কর্মী-সমর্থকের। ব্যাগ বা পকেট থেকে মোবাইল বের করতে গিয়ে দেখেন, প্রিয় স্মার্টফোনটি ‘ভ্যানিস’।

মোদির সভায় মোবাইল লুট, মাথায় হাত বিজেপি কর্মীদের
  • ২০ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুমন তেওয়ারি, দুর্গাপুর: প্রধানমন্ত্রীর সভামঞ্চকে ব্যাকগ্রাউন্ড বানিয়ে সেলফিটা আর নেওয়া হল না বিজেপির বহু কর্মী-সমর্থকের। ব্যাগ বা পকেট থেকে মোবাইল বের করতে গিয়ে দেখেন, প্রিয় স্মার্টফোনটি ‘ভ্যানিস’। বহু খোঁজাখুঁজির পরও মেলেনি মোবাইল। ছবি তোলা তো হলই না, সাধের স্মার্টফোন হারিয়ে মুখ ভার করে বাড়ি ফিরেছেন বহু গেরুয়া সমর্থক। অনেকে আবার এই অবস্থায় স্থানীয় দুর্গাপুর থানার বিজোন ফাঁড়িতে মোবাইল খোয়া যাওয়ার ডায়েরি করেছেন।

Advertisement

সঙ্ঘের পুরনো নেতা জয়দীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। কাঁকসা ব্লকের মলানদিঘি পঞ্চায়েত এলাকায় অতি পরিচিত মুখ। মোদির সভায় তাঁর হাজির থাকাই স্বাভাবিক। সভায় হাজির হয়েছেন কিন্তু মুখ শুকনো। কারণ, সভাস্থলে ঢোকার মুখেই তাঁর মোবাইল গায়েব হয়ে গিয়েছে। ফোন না পেয়ে নেতার করুণ অবস্থা। অনুগামীদের যে ডাকবেন তারও উপায় নেই। সব নম্বরই তো ফোনে সেভ করা। জয়দীপবাবু বলেন, আমি বিজোন পুলিস ফাঁড়িতে গিয়ে অভিযোগ করেছি। দেখলাম, আমার মতো আরও অনেকে সভা‌য় এসে মোবাইল হারিয়েছেন। তাঁরাও অভিযোগ করছেন। কমপক্ষে ১০০জন নেতা, কর্মী-সমর্থকের মোবাইল খোয়া গিয়েছে।
বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ দত্ত বলেন, আমাদের কাছে বহু কর্মী-সমর্থক মোবাইল চুরি যাওয়ার কথা জানিয়েছেন। আমরাও দলীয়ভাবে দুর্গাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করব। মোদির সভায় বিশৃঙ্খলা করতে তৃণমূল ষড়যন্ত্র করাতেই পারে।
যদিও এনিয়ে এসিপি সুবীর রায়কে একাধিকবার ফোন করা হলেও ধরেননি। হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজেরও উত্তর দেননি।
তবে, শনিবার দুর্গাপুর সরগরম থাকল নেহরু স্টেডিয়ামের বেহাল দশা নিয়ে। নেহরু স্টেডিয়ামেই শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দু’টি কর্মসূচি হয়। একটি প্রশাসনিক উদ্বোধন অনুষ্ঠান। দ্বিতীয়টি রাজনৈতিক জনসভা। শুক্রবার কর্মসূচি শেষ হতেই দেখা যায়, খেলার মাঠের দফারফা হয়ে গিয়েছে। জল-কাদায় খুবই খারাপ অবস্থা নেহরু স্টেডিয়ামের মাঠের। এর প্রতিবাদ জানাতে এদিন মাঠে গিয়ে ধানগাছ পুঁতে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, তৃণমূল যুবর জেলা সভাপতি পার্থ দেওয়াসিরা। ঠিক তখনই দলীয় পতাকা নিয়ে ‘জয় শ্রীরাম’ আওয়াজ তোলেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। 
নরেন্দ্রনাথবাবু বলেন, সেইলকে জানিয়ে দিচ্ছি, যাঁরা মাঠ নষ্ট করেছেন, তাঁদের দিয়ে এটিকে আগের জায়গায় ফিরিয়ে দিন। না হলে ক্রীড়াপ্রেমীদের নিয়ে আন্দোলনে নামবে তৃণমূল কংগ্রেস। সভাস্থলে থাকা বিজেপি নেতা জিতেন চট্টোপাধ্যায় বলেন, সভার ২৪ ঘণ্টাও হয়নি। দফায় দফায় বৃষ্টি হচ্ছে। মাঠ আগের জায়গায় ফিরিতে দিতে সময় তো লাগবেই। এব্যাপারে ডিএসপির জনসংযোগ আধিকারিক বেদবন্ধু রায় বলেন, মাঠ দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ