নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: কালীপুজোয় মণ্ডপ দেখতে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ভূপতিনগরে চার নাবালিকা বেপাত্তা। গত ১, ২ ও ৩ নভেম্বর তিনদিনে চার স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তাদের প্রেমিকদের দুষে থানার দ্বারস্থ হলেন নাবালিকার অভিভাবকরা। তদন্তে নেমে পুলিস এক নাবালিকাকে উদ্ধার করেছে। আরও তিনজনের খোঁজ চলছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিসের পক্ষ থেকে নাবালিকা বিয়ে রুখতে নানা কর্মসূচির মধ্যেও এই ঘটনা থামছে না। প্রেমিকদের বাড়িতে হানা দিয়েও যুগলের খোঁজ মিলছে না। নাবালিকাদের খোঁজে তৎপরতা বাড়িয়েছে ভূপতিনগর থানা। ওসি শেখ মহম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, একজন নাবালিকা উদ্ধার হয়েছে। বাকিদের খোঁজ চলছে।
Advertisement
কালীপুজোর পরদিন সন্ধ্যায় ভূপতিনগর থানার ইক্ষুপত্রিকা গ্রামের ১৫ বছরের এক স্কুলছাত্রী মণ্ডপ দেখতে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয়। রাত ১১টাতেও সে বাড়ি ফিরে আসেনি। বাড়ির লোকজন খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন, ওই গ্রামের এক যুবকও নিখোঁজ। ২ অক্টোবর ওই নাবালিকার বাবা থানায় গিয়ে ওই গ্রামেরই শরৎ দাস নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। এখনও নাবালিকা উদ্ধার হয়নি। ওই যুবকেরও খোঁজ মেলেনি।
ওই দিনই রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ ভূপতিনগর থানার নেতুড়িয়া গ্রাম থেকে ১৭ বছরের এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়। বাড়ি টনিয়াবিলা গ্রামে। মামার বাড়িতে থাকে। কালীপুজো দেখতে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে উধাও হয়ে যায়। ঘটনার তদন্তে নেমে সোমবার দুপুরে ওই নাবালিকাকে পটাশপুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিস। প্রেমিকের সঙ্গে পটাশপুরে তার বাড়িতে ওই কিশোরী উঠেছিল বলে জানা গিয়েছে। এদিন তাকে কাঁথি কোর্টে তোলা হয়। প্রেমিকের খোঁজ পায়নি পুলিস।
পয়লা নভেম্বর (কালীপুজোর পরদিন) ভূপতিনগর থানার কিসমত খটিয়াল গ্রামের ১৬ বছরের এক স্কুলছাত্রী মণ্ডপ দেখতে বেরিয়ে বেপাত্তা হয়ে যায়। খোঁজ খবর নিয়ে বাড়ির লোকজন জানতে পারেন, উড়উড়ি গ্রামের এক যুবক তার বন্ধুর সহযোগিতায় নাবালিকাকে ফুসলিয়ে চম্পট দিয়েছে। ওইদিন রাত ১১টা নাগাদ থানায় গিয়ে অভিযুক্ত দুই যুবকের নামে এফআইআর করেন ছাত্রীর মা। পুলিস ওই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ২ নভেম্বর দুপুরে হাটুরিয়া গ্রামের ১৬ বছরের এক নাবালিকা কালীপুজোর প্রতিমা দেখতে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয়। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেও মেয়ের খোঁজ না পেয়ে বাড়ির লোকজন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। জানা যায়, ভূপতিনগর থানার চিংড়া গ্রামের ২২ বছর বয়সি এক যুবক তাকে ফুসলিয়ে চম্পট দিয়েছে। ৩ অক্টোবর সকাল ১১টা নাগাদ নাবালিকার বাবা থানায় গিয়ে ওই যুবকের বিরুদ্ধে এফআইআর করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
শিক্ষায় এগিয়ে থাকা পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় নাবালিকা পালানো এবং বিয়ে করার হার গোটা রাজ্যের মধ্যে সর্বাধিক। সংক্রমণের মতো ছড়িয়ে পড়েছে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে। রুখতে নিরন্তর চেষ্টা চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন ও পুলিস। জেলা পুলিসের পক্ষ থেকে স্কুলে স্কুলে স্বয়ংসিদ্ধা কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্কুলে কন্যাশ্রী ক্লাবকে সক্রিয় করা হয়েছে। নাবালিকা বিয়ে আটকানোর জন্য পঞ্চায়েত থেকে ব্লক প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছে। এতকিছুর পরও এই ঘটনায় রাশ টানা যায়নি। ভূপতিনগরের ঘটনা সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখাল।(
ওই দিনই রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ ভূপতিনগর থানার নেতুড়িয়া গ্রাম থেকে ১৭ বছরের এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়। বাড়ি টনিয়াবিলা গ্রামে। মামার বাড়িতে থাকে। কালীপুজো দেখতে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে উধাও হয়ে যায়। ঘটনার তদন্তে নেমে সোমবার দুপুরে ওই নাবালিকাকে পটাশপুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিস। প্রেমিকের সঙ্গে পটাশপুরে তার বাড়িতে ওই কিশোরী উঠেছিল বলে জানা গিয়েছে। এদিন তাকে কাঁথি কোর্টে তোলা হয়। প্রেমিকের খোঁজ পায়নি পুলিস।
পয়লা নভেম্বর (কালীপুজোর পরদিন) ভূপতিনগর থানার কিসমত খটিয়াল গ্রামের ১৬ বছরের এক স্কুলছাত্রী মণ্ডপ দেখতে বেরিয়ে বেপাত্তা হয়ে যায়। খোঁজ খবর নিয়ে বাড়ির লোকজন জানতে পারেন, উড়উড়ি গ্রামের এক যুবক তার বন্ধুর সহযোগিতায় নাবালিকাকে ফুসলিয়ে চম্পট দিয়েছে। ওইদিন রাত ১১টা নাগাদ থানায় গিয়ে অভিযুক্ত দুই যুবকের নামে এফআইআর করেন ছাত্রীর মা। পুলিস ওই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ২ নভেম্বর দুপুরে হাটুরিয়া গ্রামের ১৬ বছরের এক নাবালিকা কালীপুজোর প্রতিমা দেখতে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয়। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেও মেয়ের খোঁজ না পেয়ে বাড়ির লোকজন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। জানা যায়, ভূপতিনগর থানার চিংড়া গ্রামের ২২ বছর বয়সি এক যুবক তাকে ফুসলিয়ে চম্পট দিয়েছে। ৩ অক্টোবর সকাল ১১টা নাগাদ নাবালিকার বাবা থানায় গিয়ে ওই যুবকের বিরুদ্ধে এফআইআর করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
শিক্ষায় এগিয়ে থাকা পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় নাবালিকা পালানো এবং বিয়ে করার হার গোটা রাজ্যের মধ্যে সর্বাধিক। সংক্রমণের মতো ছড়িয়ে পড়েছে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে। রুখতে নিরন্তর চেষ্টা চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন ও পুলিস। জেলা পুলিসের পক্ষ থেকে স্কুলে স্কুলে স্বয়ংসিদ্ধা কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্কুলে কন্যাশ্রী ক্লাবকে সক্রিয় করা হয়েছে। নাবালিকা বিয়ে আটকানোর জন্য পঞ্চায়েত থেকে ব্লক প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছে। এতকিছুর পরও এই ঘটনায় রাশ টানা যায়নি। ভূপতিনগরের ঘটনা সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখাল।(



