নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: নম্বর বদলে ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পের ট্যাবের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছিল। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় স্কুলে স্কুলে এই ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। ফের টাকা পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন অভিভাবক থেকে স্কুল পড়ুয়ারা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য তাঁদের আশ্বস্ত করেছিলেন। সেইমতো সোমবার থেকেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা শুরু হল। ফলে স্বস্তি মিলছে পড়ুয়া, অভিভাবক সহ স্কুল কর্তৃপক্ষের। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানাচ্ছেন।
Advertisement
প্রসঙ্গত, গোটা রাজ্যের পাশাপাশি আরামবাগ মহকুমার বহু পড়ুয়ার ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পের টাকা বেহাত হওয়ার অভিযোগ ওঠে। পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্ট নম্বরের পরিবর্তে অন্য নম্বর দিয়ে সেই টাকা হাতিয়ে নেয় সাইবার প্রতারকরা। বিহারেও সেই টাকা চলে গিয়েছে বলে জানতে পারেন স্কুলের শিক্ষকরা। এছাড়া ভিন জেলার বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও যায়। শিক্ষক মহলের অনুমান, সাইবার প্রতারকরাই বাংলার শিক্ষা পোর্টাল হ্যাক করে ছাত্রছাত্রীদের টাকা হাতিয়েছে। সেই জন্য আরামবাগ মহকুমার বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা সাইবার ক্রাইম থানায় লিখিত অভিযোগ জানান। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। এই ঘটনায় কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়েছে। তারমধ্যেই সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াদের ট্যাবের টাকা দেওয়ার ব্যাপারে আশ্বাস দেন। এদিন হুগলির চুঁচুড়ায় জেলা শিক্ষাদপ্তরের ডাকে আরামবাগের বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা যান। সেখানে জেলা শিক্ষা দপ্তরকে বিষয়টি তাঁরা জানান। তারসঙ্গে পড়ুয়াদের আসল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সহ নানা নথি জমা দিয়ে আসেন বলে জানা গিয়েছে। তার কিছু সময় পরই গোঘাটের দ্বাদশ শ্রেণির তিন পড়ুয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার মেসেজ আসে।
গোঘাটের বাঘারবার্ড হাই স্কুলের পাঁচ পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে চলে যায়। ওই স্কুলের বাকি পড়ুয়ারা তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থ ১০ হাজার টাকা করে পেয়ে গিয়েছে। কিন্তু, পাঁচজন পায়নি। তারফলে তারা উদ্বেগের মধ্যে ছিল।
ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তপনকুমার জানা বলেন, এদিন ডিআই অফিসে গিয়ে পাঁচজন পড়ুয়ার ব্যাঙ্কের নথি, থানায় করা অভিযোগপত্র দিয়ে আসি। বিকেলে শুনি তিনজন পড়ুয়া টাকা পেয়েছে। এতে আমরা স্বস্তি পেলাম। আমাদের হস্টেল সুপার গৌতম পাত্রের সঙ্গে দেখা করে টাকা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ওই পড়ুয়ারা।
গোঘাটের সেকাটি গ্রামের বাসিন্দা ওই স্কুলেরই কলা বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র শেখ রামিম বলে, আমার বন্ধুরা সবাই ট্যাবের টাকা পেয়ে গিয়েছিল। কিন্তু, আমি পাইনি। পুজোর ছুটির মধ্যেই স্কুল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাই। পরে জানতে পারি আমার অ্যাকাউন্টের পরিবর্তে অন্য অ্যাকাউন্ট নম্বরে টাকা চলে গিয়েছে। টাকা না পাওয়ায় খুব চিন্তা হচ্ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেওয়ায় ভরসা ছিল। এদিন বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ মোবাইলে মেসেজ আসে। তাতে দেখা যায় ১০ হাজার টাকা আমার অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে। বাড়ির কাছে একটি সিএসপিতে গিয়ে চেক করেও অ্যাকাউন্ট দেখে এসেছি। এখন টাকা পেয়ে ভালো লাগছে।
গোঘাটের বাঘারবার্ড হাই স্কুলের পাঁচ পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে চলে যায়। ওই স্কুলের বাকি পড়ুয়ারা তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থ ১০ হাজার টাকা করে পেয়ে গিয়েছে। কিন্তু, পাঁচজন পায়নি। তারফলে তারা উদ্বেগের মধ্যে ছিল।
ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তপনকুমার জানা বলেন, এদিন ডিআই অফিসে গিয়ে পাঁচজন পড়ুয়ার ব্যাঙ্কের নথি, থানায় করা অভিযোগপত্র দিয়ে আসি। বিকেলে শুনি তিনজন পড়ুয়া টাকা পেয়েছে। এতে আমরা স্বস্তি পেলাম। আমাদের হস্টেল সুপার গৌতম পাত্রের সঙ্গে দেখা করে টাকা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ওই পড়ুয়ারা।
গোঘাটের সেকাটি গ্রামের বাসিন্দা ওই স্কুলেরই কলা বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র শেখ রামিম বলে, আমার বন্ধুরা সবাই ট্যাবের টাকা পেয়ে গিয়েছিল। কিন্তু, আমি পাইনি। পুজোর ছুটির মধ্যেই স্কুল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাই। পরে জানতে পারি আমার অ্যাকাউন্টের পরিবর্তে অন্য অ্যাকাউন্ট নম্বরে টাকা চলে গিয়েছে। টাকা না পাওয়ায় খুব চিন্তা হচ্ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেওয়ায় ভরসা ছিল। এদিন বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ মোবাইলে মেসেজ আসে। তাতে দেখা যায় ১০ হাজার টাকা আমার অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে। বাড়ির কাছে একটি সিএসপিতে গিয়ে চেক করেও অ্যাকাউন্ট দেখে এসেছি। এখন টাকা পেয়ে ভালো লাগছে।



