সংবাদদাতা, বর্ধমান: ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে কোচিং সেন্টারের এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে মেমারি থানার পুলিস। অভিযুক্ত শিক্ষক ও তাঁর পরিবারের লোকজনকে মারধর এবং বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত শিক্ষকের নাম হেমন্ত পরামাণিক। মেমারি থানার সুলতানপুরের দুধপুকুরপাড়ায় তার বাড়ি। সোমবার ভোররাতে তাকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনায় রবিবার রাতে বাড়ি থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত শিক্ষককে সোমবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হলে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। ভাঙচুরে অভিযুক্ত তিনজনকে এদিনই আদালতে তোলা হলে শর্ত সাপেক্ষে জামিন মঞ্জুর করেন সিজেএম। এদিনই ওই ছাত্রীর গোপন জবানবন্দি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নথিভুক্ত করিয়েছে পুলিস।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারি থানা এলাকায় ওই ছাত্রীর বাড়ি। শনিবার বেলা সাড়ে ১০টা নাগাদ সে কোচিং সেন্টারে হেমন্তর কাছে পড়তে যান। সেখানে অন্য পড়ুয়াদের ছুটি দিয়ে ওই ছাত্রীকে পড়ানোর অছিলায় আটকে রেখে শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। ছাত্রী বাড়িতে ফিরে ঘটনার কথা পরিবারের লোকজনকে জানায়। এরপরই ছাত্রীর মা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার পর বেলা ৩টে নাগাদ পাড়ার কিছু লোকজন হেমন্তর বাড়িতে ঢুকে তাকে মারধর করে। বাঁচাতে এলে তার বাবা-মাকেও মারধর করা হয়। এমনকী তার বাড়িতে ভাঙচুরও চালানো হয়। এনিয়ে হেমন্তর দাদা প্রশান্ত পরামাণিক থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, পড়া না করায় ছাত্রীকে মারতে যায় প্রশান্ত। তার গায়ে হাত লেগে যায়। এনিয়ে গণ্ডগোল বাধে।



