নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ ও সংবাদদাতা, হবিবপুর ও কালিয়াচক : শীতের সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে সীমান্তে বাড়ছে পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য। ঘন কুয়াশার আড়ালে চলছে তাদের ‘অপারেশন’। মঙ্গলবার মালদহের দুই সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস এবং বিএসএফ। একদিকে কালিয়াচক ব্লকের বৈষ্ণবনগর থানা এলাকা থেকে ৯৭ হাজার টাকার জালনোট সহ ৩ পাচারকারী ধরা পড়েছে পুলিসের জালে। এছাড়া মোষ পাচার করতে গিয়ে হবিবপুর ব্লকের কেদারিপাড়ার উন্মুক্ত সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফ জওয়ানদের হাতে ধরা পড়েছে দুই পাচারকারী।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈষ্ণবনগর থানা সূত্র মারফৎ জানতে পারে কুম্ভিরা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাংলাদেশ সীমানা লাগোয়া জয়েনপুর এবং কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চকসেহেরদির মাঝামাঝি মাঠপাড়া এলাকায় জালনোট লেনদেন হচ্ছে। সেইমতো পুলিস সেখানে গিয়ে পাঁচজনকে ব্যাগ হাতে দেখতে পায়। পুলিস তাদের তাড়া করলে দু’জন পালিয়ে গেলেও তিনজন ধরা পড়ে।
ধৃতদের নাম রাজিকুল শেখ ওরফে রাজু, সালেক শেখ ও হাসমত শেখ। এদের মধ্যে রাজু এবং সালেকের বাড়ি চমসেহেরদির ভাটুটোলাতে ও হাসমত শেখ চকসেহেরদির কেতাবতলায় থাকে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১৯৪ টি ভারতীয় জাল পাঁচশো টাকার নোট। যার মূল্য ৯৭ হাজার টাকা। এই নোটগুলিও ‘এ’ গ্রেডের বলে জানিয়েছে পুলিস।
ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস জানতে পারে তারা জয়েনপুরের এক বাসিন্দার কাছ থেকে ১ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকার ভারতীয় জালনোট সংগ্রহ করে। ধৃতদের কাছে ৯৭ হাজার হাজার টাকা উদ্ধার হলেও বাকি ১ লক্ষ টাকার জালনোট ছিল অন্যজনের কাছে। তার বাড়ি কালিয়াচক থানা এলাকার গোলাপগঞ্জে। সে এবং জয়েনপুরের ওই বাসিন্দা দু’জনেই পুলিসি অভিযানে চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পলাতকদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিস।
অন্যদিকে বাংলাদেশে পাচারের আগেই মোষ সহ বিএসএফ জওয়ানদের হাতে ধরা পড়েছে দুই ভারতীয় নাগরিক। তারা হবিবপুর ব্লকের বৈদ্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কেদারীপাড়ার বাসিন্দা। পেশায় দিনমজুর বলে খবর পুলিস সূত্রে। হবিবপুর ব্লকে বাংলাদেশ সীমান্তের প্রায় ৩০ কিলোমিটার অংশে কাঁটাতার নেই। কেদারীপাড়া যার মধ্যে অন্যতম। সোমবার রাত থেকে ঘন কুয়াশা ছিল গোটা এলাকায়। এদিন সকালে কুয়াশার আড়ালেই চারটি মোষ ওপারে পাচার করতে নিয়ে যাচ্ছিল এই দুই ব্যক্তি। কিন্তু বাংলাদেশে অস্থিরতার কারণে সীমান্তে এখন বাড়তি নজরদারি চালাচ্ছে বিএসএফ। যার ফলে পাচারের আগেই বিষয়টি জওয়ানদের নজরে পড়ে যায়। চারটি মোষ সহ ওই দুই ব্যক্তিকে তারা আটক করে। পরে হবিবপুর থানার পুলিসের হাতে তাদের তুলে দেয় বিএসএফ।
বৈষ্ণবনগর থানার আইসি বিপ্লব হালদার বলেন, ধৃতদের সাতদিনের পুলিস হেফাজত হয়েছে। জালনোটের কারবারের সঙ্গে আর কারা জড়িত আছে জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বাংলাদেশের লিঙ্ক আছে কি না খতিয়ে দেখছি।
ধৃতদের নাম রাজিকুল শেখ ওরফে রাজু, সালেক শেখ ও হাসমত শেখ। এদের মধ্যে রাজু এবং সালেকের বাড়ি চমসেহেরদির ভাটুটোলাতে ও হাসমত শেখ চকসেহেরদির কেতাবতলায় থাকে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১৯৪ টি ভারতীয় জাল পাঁচশো টাকার নোট। যার মূল্য ৯৭ হাজার টাকা। এই নোটগুলিও ‘এ’ গ্রেডের বলে জানিয়েছে পুলিস।
ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস জানতে পারে তারা জয়েনপুরের এক বাসিন্দার কাছ থেকে ১ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকার ভারতীয় জালনোট সংগ্রহ করে। ধৃতদের কাছে ৯৭ হাজার হাজার টাকা উদ্ধার হলেও বাকি ১ লক্ষ টাকার জালনোট ছিল অন্যজনের কাছে। তার বাড়ি কালিয়াচক থানা এলাকার গোলাপগঞ্জে। সে এবং জয়েনপুরের ওই বাসিন্দা দু’জনেই পুলিসি অভিযানে চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পলাতকদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিস।
অন্যদিকে বাংলাদেশে পাচারের আগেই মোষ সহ বিএসএফ জওয়ানদের হাতে ধরা পড়েছে দুই ভারতীয় নাগরিক। তারা হবিবপুর ব্লকের বৈদ্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কেদারীপাড়ার বাসিন্দা। পেশায় দিনমজুর বলে খবর পুলিস সূত্রে। হবিবপুর ব্লকে বাংলাদেশ সীমান্তের প্রায় ৩০ কিলোমিটার অংশে কাঁটাতার নেই। কেদারীপাড়া যার মধ্যে অন্যতম। সোমবার রাত থেকে ঘন কুয়াশা ছিল গোটা এলাকায়। এদিন সকালে কুয়াশার আড়ালেই চারটি মোষ ওপারে পাচার করতে নিয়ে যাচ্ছিল এই দুই ব্যক্তি। কিন্তু বাংলাদেশে অস্থিরতার কারণে সীমান্তে এখন বাড়তি নজরদারি চালাচ্ছে বিএসএফ। যার ফলে পাচারের আগেই বিষয়টি জওয়ানদের নজরে পড়ে যায়। চারটি মোষ সহ ওই দুই ব্যক্তিকে তারা আটক করে। পরে হবিবপুর থানার পুলিসের হাতে তাদের তুলে দেয় বিএসএফ।
বৈষ্ণবনগর থানার আইসি বিপ্লব হালদার বলেন, ধৃতদের সাতদিনের পুলিস হেফাজত হয়েছে। জালনোটের কারবারের সঙ্গে আর কারা জড়িত আছে জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বাংলাদেশের লিঙ্ক আছে কি না খতিয়ে দেখছি।



