নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: পরনে কালো রঙের বোরখা। কোলে পাঁচ বছরের একটি ছেলে। কাঁধে ঝোলানো ভ্যানিটি ব্যাগ। এই বেশেও মাদক পাচারে সফল হল না বধূ শামিমা খাতুন (২৭)। বাচ্চা কোলে বমাল জিআরপির জালে সে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, মাদক পাচার চক্রের সে অন্যতম মাস্টারমাইন্ড। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৫৯৫ গ্রাম হেরোইন। অসম থেকে হেরোইন নিয়ে এসে মালদহে সাপ্লাইয়ের ছক ছিল বলে জিআরপি সূত্রে খবর।
Advertisement
তদন্তকারীরা জানান, পুলিসের চোখে ধুলো দিতেই সে বাচ্চা কোলে ছদ্মবেশ ধরে ট্রেনে ওঠে। মালদহ টাউন জিআরপির আইসি প্রশান্ত রাই বলেন, শামিমা খাতুন নামে এক মহিলাকে হেরোইন সহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
শুক্রবার অসমের কামাখ্যা স্টেশন থেকে ডাউন ১৫৬৬৪ কামাখ্যা-পুরি এক্সপ্রেসে ওঠে এই মহিলা। ধৃতের বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার সামসেরগঞ্জের দক্ষিণ হিজালটোলাতে। এদিন তার ট্রেনের অসংরক্ষিত কামরায় টিকিট কাটা ছিল। নিউ ফারাক্কা পর্যন্ত টিকিট কাটা থাকলেও সে মালদহে নেমে পড়ে। দুপুর ১ টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি মালদহ টাউন স্টেশনের এক নম্বর প্লাটফর্মে পৌঁছয়। মহিলাটি বাচ্চাকে নিয়ে ট্রেন থেকে নেমে পড়ে। তার গতিবিধি দেখে কর্তব্যরত জিআরপি কর্মীদের সন্দেহ হয়। এদিকে গোপন সূত্রে মাদক পাচারের আগাম খবর তাদের কাছে ছিলই।
জিআরপির মহিলা কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। মহিলার টিকিট আছে কি না জানতে চাওয়া হয়। সে জানায়, তার বাড়ি সামসেরগঞ্জে। নিউ ফারাক্কা পর্যন্ত টিকিট থাকলেও কেন তিনি মালদহে নেমে পড়লেন? উত্তর জানতে চাওয়া হয়। অসংলগ্ন উত্তর পেয়ে তার ব্যাগের তল্লাশি নেওয়া হয়। ব্যাগের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসে প্রায় ছয়শো গ্রাম হেরোইন। আইসি প্রশান্ত রাই জানান, উদ্ধার হওয়া হেরোইনের বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা।
ব্রাউন সুগার এবং হেরোইন তৈরির জন্য মালদহের কালিয়াচকে লাগাতার পুলিসের অভিযান চলছে। ব্রাউন সুগার তৈরির কাঁচামাল উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে আসছে বলে আগেই জানিয়েছে পুলিস। তবে এভাবে মহিলাদের ক্যারিয়ার বানিয়ে মাদক সাপ্লাই নতুন করে ভাবাচ্ছে তদন্তকারী আধিকারিকদের।
শুক্রবার অসমের কামাখ্যা স্টেশন থেকে ডাউন ১৫৬৬৪ কামাখ্যা-পুরি এক্সপ্রেসে ওঠে এই মহিলা। ধৃতের বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার সামসেরগঞ্জের দক্ষিণ হিজালটোলাতে। এদিন তার ট্রেনের অসংরক্ষিত কামরায় টিকিট কাটা ছিল। নিউ ফারাক্কা পর্যন্ত টিকিট কাটা থাকলেও সে মালদহে নেমে পড়ে। দুপুর ১ টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি মালদহ টাউন স্টেশনের এক নম্বর প্লাটফর্মে পৌঁছয়। মহিলাটি বাচ্চাকে নিয়ে ট্রেন থেকে নেমে পড়ে। তার গতিবিধি দেখে কর্তব্যরত জিআরপি কর্মীদের সন্দেহ হয়। এদিকে গোপন সূত্রে মাদক পাচারের আগাম খবর তাদের কাছে ছিলই।
জিআরপির মহিলা কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। মহিলার টিকিট আছে কি না জানতে চাওয়া হয়। সে জানায়, তার বাড়ি সামসেরগঞ্জে। নিউ ফারাক্কা পর্যন্ত টিকিট থাকলেও কেন তিনি মালদহে নেমে পড়লেন? উত্তর জানতে চাওয়া হয়। অসংলগ্ন উত্তর পেয়ে তার ব্যাগের তল্লাশি নেওয়া হয়। ব্যাগের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসে প্রায় ছয়শো গ্রাম হেরোইন। আইসি প্রশান্ত রাই জানান, উদ্ধার হওয়া হেরোইনের বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা।
ব্রাউন সুগার এবং হেরোইন তৈরির জন্য মালদহের কালিয়াচকে লাগাতার পুলিসের অভিযান চলছে। ব্রাউন সুগার তৈরির কাঁচামাল উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে আসছে বলে আগেই জানিয়েছে পুলিস। তবে এভাবে মহিলাদের ক্যারিয়ার বানিয়ে মাদক সাপ্লাই নতুন করে ভাবাচ্ছে তদন্তকারী আধিকারিকদের।



