Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শুনানিতে ডাক বিধায়ক জাকির হোসেনকেও

শুনানির নোটিস পেলেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন। বৃহস্পতিবারে স্থানীয় বিএলও বিধায়ককে নোটিস ধরান। শুনানির নোটিস পেয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ জাকির হোসেন।

শুনানিতে ডাক বিধায়ক জাকির হোসেনকেও
  • ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: শুনানির নোটিস পেলেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন। বৃহস্পতিবারে স্থানীয় বিএলও বিধায়ককে নোটিস ধরান। শুনানির নোটিস পেয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ জাকির হোসেন। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ব্যক্ত করে জাকির বলেন, তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, প্রতিবছর আয়কর, জিএসটি সহ সমস্ত কর দেন। তাছাড়া তিনি জঙ্গিপুর বিধানসভার বিধায়কও। বিধায়ককে নোটিস দেওয়া দেশের লজ্জা বলে মন্তব্য করেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা পক্ষপাততুষ্ট বলেও জানান।

Advertisement

জাকির বলেন, দেশে গণতন্ত্র কোথায়? কেন্দ্রের বিজেপি সরকার গণতন্ত্রকে ধংস করেছে। একজন জনপ্রতিনিধিকে নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে হচ্ছে। আমরা যেন পরাধীন দেশে বাস করছি। এটা দেশের লজ্জা। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাহলে কী হচ্ছে সেটা সহজেই অনুমেয়।

বিধায়কের দাবি, ভোটার তালিকা সহ নথিপত্রে তাঁর কোথাও কোনও ত্রুটি নেই। তাঁর পূর্বপুরুষ সহ বংশধরদের সকলেরই জমির দলিল দস্তাবেজও রয়েছে। বিগত ২০০২ ও ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। এছাড়া আধার, ভোটার ও প্যান কার্ড সহ পাসপোর্টও রয়েছে বলে দাবি। তা সত্ত্বেও তাঁকে ডাকা হয়েছে। একজন জনপ্রতিনিধিকে ডাকা হলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কী হচ্ছে, তা নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আগামী ২৭ তারিখ তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। তার আগেই যেন তাঁর হিয়ারিং সম্পন্ন করা হয়, তার আর্জি জানিয়েছেন বিধায়ক। সমস্ত কাগজই তিনি দেখাবেন বলে জানিয়েছেন।

ক্ষুব্ধ জাকির আরও বলেন, এসআইআর করতে হবে সংবিধানে কোথায় লেখা রয়েছে? অমর্ত্য সেনের মতো প্রবীণ মানুষ, ঘাটালের সংসদ সদস্য অভিনেতা দেবকেও ডাকা হয়েছে। মূখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বিজেপির নির্দেশে একাজ করছে। প্রতিটি বুথে ৫০০-৭০০ ভোটারকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। এটা কী করে সম্ভব। একটা গণতান্ত্রিক দেশে সাধারণ মানুষকে সবরকম পরিষেবা দেওয়া সরকারের কর্তব্য। সেখানে এখানে দেশের নাগরিকদের হেনস্তা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ইতিপূর্বে সামশেরগঞ্জ ব্লকের চাচন্ডের ২১১ নম্বর বুথের বিএলও আবু ওবাইদা বিন যাররাহকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হয়। নোটিসে বলা হয়, তাঁর বাবাকে আরও ছ’ জন বাবা হিসেবে দেখিয়েছে। যদিও ওই বিএলওর দাবি, তিনি তাঁর বাবাকে লিঙ্কে দেখাননি। বিগত ২০০২ ভোটার তালিকায় নাম থাকায় বাবাকে লিঙ্কে দেখানোর প্রয়োজন পড়েনি তাঁর। অপরদিকে, রঘুনাথগঞ্জ ২ ব্লকের বড়শিমুলের বিএলও আমিনুল ইসলামকেও ডাকা হয়েছে। তাঁকেও নোটিসে বাবাকে ছ’জন লিঙ্ক করার কথা বলা হয়েছে। আমিনুল সাহেব বলেন, আমরা মোট পাঁচ ভাইবোন, সেখানে নির্বাচন কমিশনের এই কুযুক্তি টেকে না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ