সংবাদদাতা, বোলপুর: নানুর থানার পাপুড়ি গ্রামে পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নিখোঁজ দুই নাবালিকার পরিবারের উদ্বেগ অব্যাহত। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। মৃতদেহটি কার, তা না জানা গেলেও পুলিসের প্রাথমিক অনুমান, দেহটি কোনও নাবালিকার।
সংবাদদাতা, বোলপুর: নানুর থানার পাপুড়ি গ্রামে পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নিখোঁজ দুই নাবালিকার পরিবারের উদ্বেগ অব্যাহত। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। মৃতদেহটি কার, তা না জানা গেলেও পুলিসের প্রাথমিক অনুমান, দেহটি কোনও নাবালিকার।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে পাপুড়ি গ্রামের আল আমিন মিশনের পিছনের ফাঁকা মাঠ থেকে একটি মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তারপরই ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। স্থানীয় খালা ও বেরুগ্রামের নবম শ্রেণির ছাত্রী দুই নাবালিকা নিখোঁজ রয়েছে। দেহ উদ্ধারের পর থেকে ওই দুই নাবালিকার পরিবার উদ্বেগে রয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতদেহের পাশে পড়ে থাকা একটি ওড়না দেখে খালা গ্রামের নিখোঁজ ছাত্রীর পরিবার সেটি তাদের মেয়ের বলে সন্দেহ করছে। যদিও তারা সম্পূর্ণ নিশ্চিত হতে পারেনি।
ওই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শনিবার সকালে দেখা করেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। তাদের সবরকমভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এরপর সাংবাদিকদের বলেন, পুলিসকে ডিএনএ পরীক্ষার ব্যবস্থা করার জন্য বলা হয়েছে। এই ঘটনায় যেই যুক্ত থাকুক তাকে যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়।
এদিকে, দেহ উদ্ধার ও ছাত্রী নিখোঁজের ঘটনায় নানুর থানায় স্মারকলিপি দেয় বিজেপি। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল সহ কর্মী-সমর্থকরা। শ্যামাপদবাবু বলেন, নানুর দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে। উদ্ধার হওয়া দেহ নিখোঁজ নাবালিকার কি না, তা নিশ্চিত করে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এলাকার মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিস সঠিক তদন্ত না করলে বড়সড় আন্দোলন করা হবে। পুলিস অবশ্য ইতিমধ্যেই ওই মৃতদেহের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়েছে। একইসঙ্গে নিখোঁজ দুই কিশোরীর পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ-র নমুনাও সংগ্রহ করেছে।