Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কাঁকসায় ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ শিবিরে মন্ত্রী শশী পাঁজা

বৃহস্পতিবার কাঁকসার মলানদিঘি পঞ্চায়েতের কুলডিহায় অনুষ্ঠিত হল ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ কর্মসূচি।

কাঁকসায় ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ শিবিরে মন্ত্রী শশী পাঁজা
  • ২২ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানকর: বৃহস্পতিবার কাঁকসার মলানদিঘি পঞ্চায়েতের কুলডিহায় অনুষ্ঠিত হল ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ কর্মসূচি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের নারী এবং শিশুকল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী শশী পাঁজা, পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলাশাসক পোন্নমবলম এস, দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক সৌরভ চট্টোপাধ্যায়। এদিন সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন শশীদেবী। মন্ত্রীকে সামনে পেয়ে এলাকার বাসিন্দারাও তাঁদের দাবিদাওয়া তুলে ধরেন। ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ শিবির থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে রয়েছে স্থানীয় সিপিএম পার্টি অফিস। এদিন দেখা যায়, পার্টি অফিস থেকেই সিপিএমের নেতা-কর্মীরা ক্যাম্পে আসা মানুষদের সহযোগিতা করছেন। যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

Advertisement

‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ ক্যাম্পে গিয়ে এলাকার বাসিন্দারা নানা অভিযোগ নথিভুক্ত করছেন। তার মধ্যে রয়েছে রাস্তা সংক্রান্ত অভিযোগ। টানা বৃষ্টির ফলে পঞ্চায়েতের অনেক রাস্তা বেহাল হয়ে গিয়েছে। রূপগঞ্জ গ্রামের এক বাসিন্দা এদিন বলেন, অধিকাংশ পথবাতি খারাপ হয়ে গিয়েছে। অন্ধকার নামলেই রাস্তায় চলতে সমস্যা হচ্ছে। পাশাপাশি, ওখানকার কালীমন্দিরে কমিউনিটি সেন্টার তৈরি হলে সকলে উপকৃত হবেন। স্থানীয় বাসিন্দা পূর্ণিমা গোস্বামী বলেন, এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক করা, মনসা মন্দির ও কালীমন্দিরের ছাদ ঢালাই করার কথা বলেছি। মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ভালো লেগেছে।
তবে এদিন সিপিএমের পার্টি অফিস থেকে ক্যাম্পে আসা মানুষদের ফর্ম ফিলআপের ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। সিপিএম কর্মী সমীর শেঠ বলেন, আমরা এখানে বসেছি। যাঁরা আমাদের ভালোবাসেন, তাঁরা এখানে এসে ফর্ম ফিলআপ করিয়ে নিচ্ছেন। তারপর শিবিরে জমা দিচ্ছেন। অপর কর্মী সন্দীপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটা সরকারি প্রকল্প। তাই দলের পক্ষ থেকে মানুষকে সেবা দেওয়া আমাদের কর্তব্য। বামফ্রন্ট সরকার প্রথম পঞ্চায়েত ব্যবস্থা করেছিল। তবে এনিয়ে শশী পাঁজা বলেন, ওঁরা চৌত্রিশ বছরই সাহায্য করতে পারতেন। এমনও হতে পারে, ওঁরা এভাবে নতুন সদস্য সংগ্রহ করছেন। সহযোগিতা না অসহযোগিতা, জানি না। তবে আমার নজরে পড়েনি। আমি সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে ক্যাম্পে উপস্থিত হয়েছি। ওই হেল্পডেস্ক নয়। এই হেল্পডেস্ক ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’। এখানে দল, মত, ভাষা নির্বিশেষে কাজ হচ্ছে। ৬০দিনে কাজ শেষ হবে। এটা রূপরেখা। তিনি আরও বলেন, জনগণ আমাদের যে পরামর্শগুলি দিচ্ছেন, তা গুরুত্বপূর্ণ।
তৃণমূল কর্মীদের অবশ্য দাবি, নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতেই বামেরা এই রাস্তা বেছে নিয়েছে। মানুষকে বিভ্রান্ত করে প্রচারের আলোয় আসতে চাইছে। পঞ্চায়েতের উপ প্রধান বিশ্বরূপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, মন্ত্রীকে সরাসরি নিজেদের কথা জানিয়েছেন এলাকার মানুষজন। তাঁদের দাবি নথিভুক্ত করা হয়েছে। কাজ শুরু হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ