Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভোটের টানে বাড়ি ফেরা হল না, ভিড়ের চাপে ট্রেনে প্রাণহানি পরিযায়ী শ্রমিকের

ভোট দিতে ভিনরাজ্য থেকে ঘরে ফেরার তাগিদ ছিল। আর সেই পথেই মর্মান্তিক পরিণতি। ট্রেনের অসংরক্ষিত কামরায় তুমুল ভিড়ের চাপে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হল এক পরিযায়ী শ্রমিকের। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডাউন গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেসে ঘটেছে এই ঘটনা।

ভোটের টানে বাড়ি ফেরা হল না, ভিড়ের চাপে ট্রেনে প্রাণহানি পরিযায়ী শ্রমিকের
  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: ভোট দিতে ভিনরাজ্য থেকে ঘরে ফেরার তাগিদ ছিল। আর সেই পথেই মর্মান্তিক পরিণতি। ট্রেনের অসংরক্ষিত কামরায় তুমুল ভিড়ের চাপে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হল এক পরিযায়ী শ্রমিকের। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডাউন গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেসে ঘটেছে এই ঘটনা।

Advertisement

রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সুমিত মাতব্বর (৩১)। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর গোপালপুর এলাকায়। পেশায় রাজমিস্ত্রি সুমিত আগে দক্ষিণ ভারতে কাজ করলেও সম্প্রতি নাগপুরের একটি বেসরকারি নির্মাণ সংস্থায় যোগ দেন। বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য বন্ধুদের সঙ্গে সেখান থেকেই ট্রেনে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। পরিবার ও সহযাত্রীদের দাবি, নাগপুর থেকে ওঠার পর থেকেই ট্রেনের কামরায় উপচে পড়া ভিড় ছিল। অসংরক্ষিত কামরায় নির্দিষ্ট আসন না পেয়ে শেষ পর্যন্ত  শৌচাগারের সামনে বসেছিলেন সুমিত। দীর্ঘক্ষণ গাদাগাদি ভিড়, গরম ও অস্বস্তিকর পরিবেশের মধ্যেই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। মৃতের ভাই রাজীব মাতব্বর জানিয়েছেন, ট্রেন খড়্গপুর স্টেশনে ঢোকার সময়ই সুমিতের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পেটে অসহ্য যন্ত্রণায় তিনি মেঝেতে পড়ে ছটফট করতে থাকেন। এরপর সাঁতরাগাছি ঢোকার আগে সিগন্যালের অপেক্ষায় ট্রেনটি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে। অভিযোগ, সেই সময়ই ট্রেনের মধ্যে মৃত্যু হয় তাঁর।
সাঁতরাগাছি স্টেশনে পৌঁছনোর পর দেহটি নামিয়ে রেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে সাঁতরাগাছি জিআরপি দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে রেল পুলিশ। ঘটনার জেরে নির্বাচনের আগে পরিযায়ী শ্রমিকদের যাতায়াতের ব্যবস্থাপনা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠছে। যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, বিপুল ভিড় সামাল দিতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় এমন দুর্ঘটনা ঘটে গেল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ