নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: খোলা বাজারে কেজি প্রতি লঙ্কার দর এখনও ১০০টাকা। সেইসঙ্গে টম্যাটো, বেগুন ও পটলের দরও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি রয়েছে। এই তিন সবজি খোলা বাজারে প্রতি কেজি ৬০টাকা দরে বিকোচ্ছে। সবজি ব্যবসায়ীদের একাংশ ঊর্ধ্বমুখী বাজার দরের কথা কার্যত মেনে নিয়েছেন। যার মাশুল সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতিনিয়ত গুনতে হচ্ছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বাজারে সবজির চরা দরে তাঁরা রীতিমতো নাজেহাল হয়ে উঠেছেন। ঘটনা প্রসঙ্গে তাঁদের বক্তব্য, টাস্কফোর্সের অভিযানের কোনও প্রভাবই পড়েনি। ব্যবসায়ীরা মর্জিমাফিক সবজির দর হাঁকছেন। এবিষয়ে জেলাশাসক কোন্থাম সুধীর বলেন, সবজির বাজারদর নিয়ন্ত্রণে আনতে নিয়মিত টাস্কফোর্সের তরফে নজরদারি চালানো হচ্ছে। মঙ্গলবার মানবাজারে অভিযান চালানো হয়েছে। পুরুলিয়াতেও ফের অভিযান চালানো হবে। এবার অবশ্য সারপ্রাইজ ভিজিট করা হবে। মাত্র দিন দশেক আগের ঘটনা। ঊর্ধ্বমুখী সবজির দরে রাশ টানতে পুরুলিয়ার সদর বাজারে টাস্কফোর্সের সদস্যরা অভিযান চালান। অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সদর মহকুমা শাসক উৎপল ঘোষ। পাইকারি ও খুচরো বাজারে সবজির দর কী রয়েছে, তা টাস্কফোর্সের সদস্যরা সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। সেইসময় স্পষ্ট হয়, খুচরো বাজারে টম্যাটোর দর অনিয়ন্ত্রিত। ব্যবসায়ীরা মর্জিমাফিক টম্যাটোর দর হাঁকছেন। খোলা বাজারে প্রতি কেজি সর্বোচ্চ ৬০টাকা দরে টম্যাটো বিক্রি হচ্ছিল। এবিষয়ে মহকুমা শাসক ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে ন্যায্যমূল্যে সবজি বিক্রির নির্দেশ দেন। দিন দশেক বাদেও তার কোনও পরিবর্তন হয়নি বলেই অভিযোগ উঠছে। এখনও খুচরো বাজারে প্রতি কেজি টম্যাটো ৬০টাকা দরে বিকোচ্ছে। সেইসঙ্গে বেগুন, লঙ্কা, পটলের দরও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ক্রেতাদের একাংশ টাস্কফোর্সের অভিযানের ফলাফল প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। তাঁদের দাবি, টাস্কফোর্সের তরফে অভিযান চালানো হলেও বাস্তবে খুচরো বাজারে কোনও প্রভাবই পড়েনি।



