বুয়েনস আইরেস: লায়োনেল মেসির ছবির সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা ‘হেয়ার কামস দ্য লাস্ট ড্যান্স!’— কনমেবলের এমন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল ফুটবলবিশ্বে। তাহলে কি লায়োনেল মেসি আগামী বিশ্বকাপ খেলবেন না? ৪ সেপ্টেম্বর বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ভেনিজুয়েলা ম্যাচের পরই কি বুটজোড়া তুলে রাখবেন মহাতারকা? জল্পনায় রীতিমতো শঙ্কিত ভক্তকুল। না! তেমন কিছু হচ্ছে না। আসলে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর ঘরের মাঠে সম্ভবত দেশের জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলবেন লিও। তাই বুয়েনস আইরেসে উপস্থিত থাকবেন মেসির পরিবার ও আত্মীয়স্বজনরা। দেশের ফুটবল আইকনের বিশেষ ম্যাচকে স্মরণীয় করতে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে প্রস্তুতি চালাচ্ছে আর্জেন্তিনার ফুটবল ফেডারেশন। ৮৫ হাজারের এস্তাদিও মনুমেন্টাল স্টেডিয়াম ইতিমধ্যেই হাউসফুল।
লায়োনেল মেসিও এই বিশেষ ম্যাচ স্মরণীয় করতে মুখিয়ে রয়েছেন। এক সাক্ষাত্কারে তিনি বলছিলেন, ‘এটা আমার জন্য খুবই স্পেশাল ম্যাচ হতে চলেছে। জানি না, এরপর আর্জেন্তিনায় কোনও প্রীতি ম্যাচ হবে কি না। তাই আমার বাবা, মা, ভাই, স্ত্রী প্রত্যেকে উপস্থিত থাকবে।’ উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ২ সেপ্টেম্বর ভেনিজুয়েলার বিরুদ্ধে প্রথমবার ক্যাপ্টেনের আর্মব্যান্ড পরেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচটি হয়েছিল কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। কাকতালীয়ভাবে সেই ভেনিজুয়েলার বিরুদ্ধেই সম্ভবত ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচ খেলবেন মেসি। কারণ, ভেনিজুয়েলার পর ইকুয়েডর (অ্যাওয়ে ম্যাচ) ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব শেষ করবে আর্জেন্তিনা। এরপর বিশ্বকাপের আগে আমেরিকা, অ্যাঙ্গোলো ও ভারত সফরে আসবে আলবিসেলেস্তেরা। তারপর ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেবে লায়োনেল স্কালোনির দল। সম্ভবত মেগা টুর্নামেন্টের পরই বুট জোড়া তুলে রাখবেন এলএমটেন। অবশ্য গত বিশ্বকাপের পরেও অনেকে ভেবেছিলেন লিও হয়তো ফুটবলকে বিদায় বলবেন। কিন্তু খেতাব জেতার পর মেসি জানিয়েছিলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন হিসেবে কিছুদিন খেলাটা উপভোগ করতে চাই।’ আর ৩৮ বছর বয়সেও ম্যাজিক দেখিয়ে যাচ্ছেন লিও। ক’দিন আগেই তো তাঁর সৌজন্যে লিগ কাপের ফাইনালে পৌঁছায় ইন্তার মায়ামি।