Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পর্যটনে সম্প্রীতির বার্তা, ঘুরিয়ে দেখানো হবে ঐতিহ্যবাহী মন্দির, মসজিদ ও গির্জা, এনবিএসটিসি-প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চালু

পর্যটনে সম্প্রীতির বার্তা। নয়া উদ্যোগ জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন ও উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের। সপ্তাহের প্রতি রবিবার এনবিএসটিসি’র বাসে পর্যটকদের ঘুরিয়ে দেখানো হবে ঐতিহ্যবাহী মন্দির, মসজিদ ও গির্জা।

পর্যটনে সম্প্রীতির বার্তা, ঘুরিয়ে দেখানো হবে ঐতিহ্যবাহী মন্দির, মসজিদ ও গির্জা, এনবিএসটিসি-প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চালু
  • ১৩ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: পর্যটনে সম্প্রীতির বার্তা। নয়া উদ্যোগ জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন ও উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের। সপ্তাহের প্রতি রবিবার এনবিএসটিসি’র বাসে পর্যটকদের ঘুরিয়ে দেখানো হবে ঐতিহ্যবাহী মন্দির, মসজিদ ও গির্জা। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘সম্প্রীতি ভ্রমণ’। মঙ্গলবার এই উদ্যোগের উদ্বোধন করেন জলপাইগুড়ির জেলাশাসক শমা পারভীন। ছিলেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা। 

Advertisement

একদিকে জেলার প্রাচীন ধর্মীয় স্থানগুলি ঘুরে দেখা, সেগুলির ইতিহাস জানা, সেইসঙ্গে ঐতিহ্যবাহী ওই স্থানগুলি সংরক্ষণে বিশেষ বার্তা দেওয়াই সম্প্রীতি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক। এই পর্যটন সার্কিটে যেমন যুক্ত করা হয়েছে উত্তরবঙ্গের অন্যতম শৈবতীর্থ ময়নাগুড়ির জল্পেশ মন্দির, তেমনই রাখা হয়েছে দেবী চৌধুরানির মন্দির কিংবা জলপাইগুড়ির অন্যতম প্রাচীন সেন্ট মাইকেল অ্যান্ড অল অ্যাঞ্জেল চার্চ। রয়েছে কালু সাহেবের মাজার, জলপাইগুড়ির ভানুনগরে অবস্থিত গুম্ফা। এই সার্কিটে পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারবেন জলপাইগুড়ি জেলায় অবস্থিত অন্যতম সতীপীঠ ত্রিস্রোতা মন্দির, ময়নাগুড়ির বটেশ্বর মন্দির, জলপাইগুড়ি রাজবাড়ি। থাকছে তিনবিঘা করিডরে যাওয়ার পথে রাজ্যের উদ্যোগে তিস্তা নদীর উপর তৈরি হওয়া প্রায় চার কিমি দীর্ঘ জয়ী সেতু দেখার সুযোগ।
যাত্রা শুরু হবে সকাল ন’টায়। সবটা ঘুরে দেখে জলপাইগুড়িতে সন্ধ্যা ছ’টায় ফিরে আসা। প্রথমদিন নিখরচাতেই জলপাইগুড়ি শহরের বাসিন্দাদের ঘোরার সুযোগ করে দেওয়া হয়। জেলাশাসক বলেন, এনবিএসটিসি’র ওয়েবসাইট থেকে সম্প্রীতি ভবনের জন্য অনলাইনে বুকিং করা যাবে। এছাড়াও আমরা অফলাইনে এবং অনস্পট বুকিংয়ের সুবিধা রাখছি। প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে মাথাপিছু ন’শো টাকা করে নেওয়া হবে। তবে যদি কোনও পর্যটক টিফিন ও লাঞ্চ বাদ দিতে চান, সেক্ষেত্রে তাঁদের জন্য আলাদা প্যাকেজ থাকবে। 
জেলাশাসক বলেন, বাসে ৪০টি আসন রয়েছে। কমপক্ষে ২৫ জন বুকিং করলেই বাস রওনা দেবে। আপাতত সপ্তাহে একদিন করে সম্প্রীতি ভবন হবে। কেমন সাড়া মিলছে সেটা দেখে আমরা দিন বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব। এই উদ্যোগ সফল হলে মালবাজারকে কেন্দ্র করে আমরা ট্যুরিজমের আরও একটি সার্কিট চালুর চেষ্টা করব।
এর আগে জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চা ভ্রমণ বেড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় প্রচারের অভাবে তা মুখ থুবড়ে পড়ে। যদিও জেলা প্রশাসনের দাবি, সম্প্রীতি ভবনকে জনপ্রিয় করতে এবার জোরদার প্রচারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।  নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ