সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: হাতে আর মাত্র ক’দিন। চলতি মাসেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। পুজোকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পুজো উদ্যোক্তা ক্লাবগুলির তৎপরতা তুঙ্গে। ময়নাগুড়ির শ্মশান মোড় মহিলা ইউনিটের সদস্যরা ইতিমধ্যেই তাঁদের পুজোকে সেরা করে তুলতে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। শ্মশান মোড়ে অলক দত্তের বাড়ির সামনে এই পুজোর আয়োজন করে থাকেন স্থানীয় মহিলারা। এবছর এই পুজোর ১৭তম বর্ষ। বুধবার গণেশ চতুর্থীর দিন খুঁটিপুজো হয়েছে। এবছরও এই পুজোয় অন্যান্য বারের মতো থাকছে চমক।
ময়নাগুড়ি শ্মশান মোড় মহিলা ইউনিটের এবছর পুজো কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন দিপালী সেন। সহ সভাপতি বিজয়া রায়,বিভা দেবগুপ্ত, দেবী দাস, সম্পাদক মঞ্জু সেন ও টিটু সাহা, সহ সম্পাদক সায়নী হাজরা, সীমা সাহা, পিয়ালী দত্ত, কোষাধ্যক্ষ মায়া দে ও শান্তি সেন। সহ কোষাধ্যক্ষ কবিতা দাস ও জয়া দাস। যুগ্ম হিসেবরক্ষক মালা দেবগুপ্ত ও চৈতালি সিনহা, হিসেব পরীক্ষক টুম্পা দাস, নমিতা দে ও পূর্ণিমা সেন, সহ হিসেব পরীক্ষক মমতা সেন, অর্চনা দাস, কল্যাণী রায় ও দুর্গা দাস।
প্রতি বছর এই পুজোকে কেন্দ্র করে এলাকার মহিলারা আনন্দে মেতে ওঠেন। পুজোর দিনগুলিতে এই পুজো মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় হয়। এবছর পুজোর মণ্ডপ তৈরি করছেন অঙ্কুর দাস, প্রতিমা তৈরি করছেন বিজন পাল। পুজো কমিটির সদস্যরা জানান, এক সময় এই এলাকায় পুজো হতো না। এলাকার মহিলারাও একসঙ্গে আনন্দ উপভোগ করতে পারতেন না। সে কারণেই স্থানীয় মহিলারা একত্রিত হয়ে বৈঠক করে দুর্গাপুজো করার সিদ্ধান্ত নেন। তারপর থেকে প্রতিবছর পুজোর আয়োজন হচ্ছে।
পুজোর দিনগুলিতে নাচ, গান, আরতির মতো নানা প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অষ্টমী ও নবমীতে খিচুড়ি ভোগের আয়োজন করা হয়। কয়েক হাজার লোকজনদের মধ্যে এই খিচুড়ি বিতরণ করা হয়। দুপুর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলে খিচুড়ি বিতরণ। পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকেও যথেষ্ট সহযোগিতা পাওয়া যায় বলে পুজো কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন। গত বছরগুলিতে
শ্মশান মোড় মহিলা ইউনিটের
পুজো প্রশাসনের পক্ষ থেকে
একাধিক পুরস্কারে পুরস্কৃত হয়েছে।
নিজস্ব চিত্র।